নিউইয়র্ক ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার: বিমানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০১:১৯:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) কেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা চেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তার অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। 

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। লুফথানসা বিশ্বে প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান। তাই দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেনটেইন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনের বিষয়ে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।’

দেশেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। 

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাওয়া কার্গোর ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।

বিমানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তাই এইচআরএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা সরকারের কাম্য। 

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কাজ করছি। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারি এর সময়কাল এগিয়ে আনা জরুরি।’ 

এ সময় মন্ত্রী ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি শুরু হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। 

সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী জার্মান রাষ্ট্রদূত ও তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশাবাদী।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জোহরান মামদানি মেয়র হওয়ার বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহর নিউইয়র্ক

একইসঙ্গে পুতিনকে সমর্থন ও ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

০৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

দেশে এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার: বিমানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০১:১৯:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) কেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা চেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তার অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। 

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। লুফথানসা বিশ্বে প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান। তাই দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেনটেইন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনের বিষয়ে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।’

দেশেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। 

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাওয়া কার্গোর ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।

বিমানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তাই এইচআরএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা সরকারের কাম্য। 

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কাজ করছি। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারি এর সময়কাল এগিয়ে আনা জরুরি।’ 

এ সময় মন্ত্রী ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি শুরু হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। 

সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী জার্মান রাষ্ট্রদূত ও তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশাবাদী।

Share this news as a Photo Card