নিউইয়র্ক ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জোহরান মামদানি মেয়র হওয়ার বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহর নিউইয়র্ক

  • আপডেটের সময় : ০৩:১৭:৩৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ সালের গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের এক নম্বর শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নিউইয়র্ক। শহরটির অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও মানবসম্পদ বিশেষভাবে ভালো করায় সামগ্রিক তালিকায় লন্ডন, প্যারিস, সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকোর মতো শহরকে পেছনে ফেলেছে এটি।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকস বিশ্বের এক হাজার বৃহৎ শহরকে অর্থনীতি, মানবসম্পদ, জীবনযাত্রার মান, পরিবেশ ও শাসন—এই পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করেছে। সামগ্রিক সূচকে নিউইয়র্ক পেয়েছে সর্বোচ্চ ১০০ নম্বর।

অর্থনৈতিক সূচকে নিউইয়র্কের স্কোর ছিল ১০০। মানবসম্পদে ৮৯ দশমিক ৫, জীবনযাত্রার মানে ৮০ দশমিক ৮, পরিবেশে ৭২ দশমিক ৮ এবং শাসনব্যবস্থায় ৭৫ দশমিক ৭ নম্বর পেয়েছে শহরটি।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের মতে, নিউইয়র্ক ও লন্ডন দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে। বড় অর্থনীতি ও শক্তিশালী শ্রমবাজার এ অবস্থানের অন্যতম প্রধান কারণ। একই সঙ্গে, বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর অনেক সুবিধাই দীর্ঘ সময় ধরে গড়ে ওঠা কাঠামোগত সক্ষমতার ফল বলে উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্কের এই অবস্থান শহরটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির মেয়াদকালের প্রেক্ষাপটেও আলোচনায় এসেছে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি মেয়র হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি নিউইয়র্ক সিটির ১১২তম মেয়র হন।

মামদানি নির্বাচিত হওয়ার পর তার প্রস্তাবিত বিভিন্ন নীতি নিয়ে সমালোচকদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, এসব নীতি শহরের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের সূচকে নিউইয়র্কের শীর্ষস্থান কোনো নির্দিষ্ট মেয়র বা প্রশাসনের কৃতিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

বরং শহরের অর্থনীতির আকার ও স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ, জীবনযাত্রার মান, পরিবেশ এবং শাসনব্যবস্থার মতো দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোগত বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এই মূল্যায়ন করা হয়েছে।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকস জানিয়েছে, সূচকটির মাধ্যমে শহরগুলোর বর্তমান অবস্থার পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাদের অগ্রগতির সম্ভাবনাও তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জোহরান মামদানি মেয়র হওয়ার বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহর নিউইয়র্ক

একইসঙ্গে পুতিনকে সমর্থন ও ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

০৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

জোহরান মামদানি মেয়র হওয়ার বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহর নিউইয়র্ক

আপডেটের সময় : ০৩:১৭:৩৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ সালের গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের এক নম্বর শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নিউইয়র্ক। শহরটির অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও মানবসম্পদ বিশেষভাবে ভালো করায় সামগ্রিক তালিকায় লন্ডন, প্যারিস, সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকোর মতো শহরকে পেছনে ফেলেছে এটি।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকস বিশ্বের এক হাজার বৃহৎ শহরকে অর্থনীতি, মানবসম্পদ, জীবনযাত্রার মান, পরিবেশ ও শাসন—এই পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করেছে। সামগ্রিক সূচকে নিউইয়র্ক পেয়েছে সর্বোচ্চ ১০০ নম্বর।

অর্থনৈতিক সূচকে নিউইয়র্কের স্কোর ছিল ১০০। মানবসম্পদে ৮৯ দশমিক ৫, জীবনযাত্রার মানে ৮০ দশমিক ৮, পরিবেশে ৭২ দশমিক ৮ এবং শাসনব্যবস্থায় ৭৫ দশমিক ৭ নম্বর পেয়েছে শহরটি।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের মতে, নিউইয়র্ক ও লন্ডন দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে। বড় অর্থনীতি ও শক্তিশালী শ্রমবাজার এ অবস্থানের অন্যতম প্রধান কারণ। একই সঙ্গে, বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর অনেক সুবিধাই দীর্ঘ সময় ধরে গড়ে ওঠা কাঠামোগত সক্ষমতার ফল বলে উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্কের এই অবস্থান শহরটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির মেয়াদকালের প্রেক্ষাপটেও আলোচনায় এসেছে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি মেয়র হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি নিউইয়র্ক সিটির ১১২তম মেয়র হন।

মামদানি নির্বাচিত হওয়ার পর তার প্রস্তাবিত বিভিন্ন নীতি নিয়ে সমালোচকদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, এসব নীতি শহরের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের সূচকে নিউইয়র্কের শীর্ষস্থান কোনো নির্দিষ্ট মেয়র বা প্রশাসনের কৃতিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

বরং শহরের অর্থনীতির আকার ও স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ, জীবনযাত্রার মান, পরিবেশ এবং শাসনব্যবস্থার মতো দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোগত বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এই মূল্যায়ন করা হয়েছে।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকস জানিয়েছে, সূচকটির মাধ্যমে শহরগুলোর বর্তমান অবস্থার পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাদের অগ্রগতির সম্ভাবনাও তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card