নিউইয়র্ক ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

  • আপডেটের সময় : ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সৃষ্ট নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ অবস্থায় সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে নিজের ভারিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান। স্ট্যাটাসটি ইত্তেফাক ডিজিটালের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সৃষ্ট বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী এ পর্যন্ত ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এসব ফ্লাইট বাতিলের ফলে মোট ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।’

তিনি জানান, সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর বাংলাদেশ-সৌদি আরব রুটে সরাসরি এবং ট্রানজিটের মাধ্যমে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় ৬১টি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইটের চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

জামায়াতের আমির বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি যাত্রী, বিশেষ করে প্রবাসী কর্মজীবী মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাদের অনেকেই কর্মসংস্থানে যোগদান, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। অন্যদিকে, অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ পবিত্র ওমরা পালনের উদ্দেশ্যেও যাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিতের কারণে তাদের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।’

বিশেষ করে যারা চাকরি নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তাদের বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিরোধীদলের নেতা লেখেন, ‘নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে তাদের চাকরির সুযোগ হারানো, নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিগত জটিলতা এবং আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ভিসার মেয়াদ, নিয়োগসংক্রান্ত শর্ত এবং সৌদি আরবের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জটিলতাও তৈরি হতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু যাতায়াতের অসুবিধা নয়; বরং অনেক পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।’

ডা শফিকুর রহমান লেখেন, ‘এ অবস্থায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের আহ্বান, সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে চাকরি নিয়ে যাত্রার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে তাদের চাকরি, ভিসা কিংবা কর্মসংস্থানের সুযোগ কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের জন্য যৌক্তিক সময়সীমা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘একই সঙ্গে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা বিমানবন্দর এড়িয়ে সৌদি আরবের অন্য নিরাপদ বিমানবন্দর কিংবা বিকল্প রুটে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিকল্প ফ্লাইট, পুনঃটিকিটায়ন এবং প্রয়োজনীয় যাত্রাসহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।’

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি লেখেন, ‘আমরা মনে করি, এই সংকট মোকাবিলায় সামান্য অবহেলা কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অযৌক্তিক বিলম্ব শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট যাত্রী ও তাদের পরিবারই নয় বরং দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মীদের কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক আয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে দ্রুত, কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন এবং সৌদি আরবগামী যাত্রী ও প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদ যাত্রা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্বার্থ সুরক্ষায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের কাজের অনুমতির মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা বাতিল

সৌদি আরব ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

১৪ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

আপডেটের সময় : ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সৃষ্ট নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ অবস্থায় সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে নিজের ভারিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান। স্ট্যাটাসটি ইত্তেফাক ডিজিটালের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সৃষ্ট বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী এ পর্যন্ত ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এসব ফ্লাইট বাতিলের ফলে মোট ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।’

তিনি জানান, সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর বাংলাদেশ-সৌদি আরব রুটে সরাসরি এবং ট্রানজিটের মাধ্যমে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় ৬১টি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইটের চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

জামায়াতের আমির বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি যাত্রী, বিশেষ করে প্রবাসী কর্মজীবী মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাদের অনেকেই কর্মসংস্থানে যোগদান, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। অন্যদিকে, অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ পবিত্র ওমরা পালনের উদ্দেশ্যেও যাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিতের কারণে তাদের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।’

বিশেষ করে যারা চাকরি নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তাদের বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিরোধীদলের নেতা লেখেন, ‘নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে তাদের চাকরির সুযোগ হারানো, নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিগত জটিলতা এবং আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ভিসার মেয়াদ, নিয়োগসংক্রান্ত শর্ত এবং সৌদি আরবের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জটিলতাও তৈরি হতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু যাতায়াতের অসুবিধা নয়; বরং অনেক পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।’

ডা শফিকুর রহমান লেখেন, ‘এ অবস্থায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের আহ্বান, সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে চাকরি নিয়ে যাত্রার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে তাদের চাকরি, ভিসা কিংবা কর্মসংস্থানের সুযোগ কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের জন্য যৌক্তিক সময়সীমা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘একই সঙ্গে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা বিমানবন্দর এড়িয়ে সৌদি আরবের অন্য নিরাপদ বিমানবন্দর কিংবা বিকল্প রুটে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিকল্প ফ্লাইট, পুনঃটিকিটায়ন এবং প্রয়োজনীয় যাত্রাসহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।’

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি লেখেন, ‘আমরা মনে করি, এই সংকট মোকাবিলায় সামান্য অবহেলা কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অযৌক্তিক বিলম্ব শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট যাত্রী ও তাদের পরিবারই নয় বরং দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মীদের কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক আয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে দ্রুত, কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন এবং সৌদি আরবগামী যাত্রী ও প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদ যাত্রা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্বার্থ সুরক্ষায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন।’

Share this news as a Photo Card