নিউইয়র্ক ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছিলেন ডন, বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : ০৭:১৬:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর্যায়ে তাকে আটক করা হয়।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহ হত্যা মামলা করেন তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, অভিনেতা আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। পরে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

মামলা হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন ডন। রোববার ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশের নজরে পড়েন তিনি। তাকে আটক করে সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়। পরে সিআইডির একটি দল বিমানবন্দর থেকে তাকে নিয়ে যায়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বলেন, ‘বর্তমানে মামলাটি অধিকতর তদন্ত করছে সিআইডি। ডনকে গ্রেপ্তারের ফলে তদন্তে নিশ্চয়ই অগ্রগতি হবে।’

জানা গেছে, গত বছর আদালত মামলার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সময়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে রিকুইজিশন পাঠিয়ে এজাহারে নাম থাকা আসামিদের দেশত্যাগে বাধা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত বছর তার মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।

সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা অনুসন্ধান করেছে। সর্বশেষ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের প্রতিবেদনে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করে। তবে সালমান শাহর পরিবার ও ভক্তরা ওই প্রতিবেদন মেনে নেননি।

এরপর তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটির অধিকতর তদন্ত করছে সিআইডি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর

নতুন প্রেসিডেন্টের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় বোমা হামলা

১০ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছিলেন ডন, বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ০৭:১৬:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর্যায়ে তাকে আটক করা হয়।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহ হত্যা মামলা করেন তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, অভিনেতা আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। পরে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

মামলা হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন ডন। রোববার ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশের নজরে পড়েন তিনি। তাকে আটক করে সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়। পরে সিআইডির একটি দল বিমানবন্দর থেকে তাকে নিয়ে যায়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বলেন, ‘বর্তমানে মামলাটি অধিকতর তদন্ত করছে সিআইডি। ডনকে গ্রেপ্তারের ফলে তদন্তে নিশ্চয়ই অগ্রগতি হবে।’

জানা গেছে, গত বছর আদালত মামলার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সময়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে রিকুইজিশন পাঠিয়ে এজাহারে নাম থাকা আসামিদের দেশত্যাগে বাধা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত বছর তার মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।

সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা অনুসন্ধান করেছে। সর্বশেষ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের প্রতিবেদনে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করে। তবে সালমান শাহর পরিবার ও ভক্তরা ওই প্রতিবেদন মেনে নেননি।

এরপর তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটির অধিকতর তদন্ত করছে সিআইডি।

Share this news as a Photo Card