নিউইয়র্ক ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, নম্বর দেওয়া যায় না’

  • আপডেটের সময় : ০৪:৪০:৫১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। 

শিক্ষকরা মনখুলে নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই কঠোর ছিল, আপনার কাছে কী মেসেজ ছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে তো আর নম্বর দেওয়া যায় না।’

এবারের ফলাফলকে সুন্দর ফলাফল উল্লেখ করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।’

এদিকে, পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, এ ফলাফল অর্জনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ইতিবাচক আন্তঃসম্পর্ক, শিক্ষকদের প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান, অভিভাবকদের ক্রমবর্ধমান সচেতনতা ও সহযোগিতা এবং সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

এবারের পরীক্ষায় গৃহীত কিছু পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মনিটরিং করা হয়েছিল। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে পুলিশ সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা রাখা হয়েছিল। এই পরীক্ষা যথাসময়ে, পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের উত্তরপত্র নির্ভুল মূল্যায়নের লক্ষ্যে কর্মশালার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। উত্তরপত্র মানসম্পন্নভাবে মূল্যায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষকদের ৩০০টি উত্তরপত্র প্রদান করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার জন্য শেড নির্মাণের নির্দেশনা ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৪৭

ভারতের ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

১০ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, নম্বর দেওয়া যায় না’

আপডেটের সময় : ০৪:৪০:৫১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। 

শিক্ষকরা মনখুলে নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই কঠোর ছিল, আপনার কাছে কী মেসেজ ছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে তো আর নম্বর দেওয়া যায় না।’

এবারের ফলাফলকে সুন্দর ফলাফল উল্লেখ করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।’

এদিকে, পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, এ ফলাফল অর্জনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ইতিবাচক আন্তঃসম্পর্ক, শিক্ষকদের প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান, অভিভাবকদের ক্রমবর্ধমান সচেতনতা ও সহযোগিতা এবং সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

এবারের পরীক্ষায় গৃহীত কিছু পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মনিটরিং করা হয়েছিল। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে পুলিশ সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা রাখা হয়েছিল। এই পরীক্ষা যথাসময়ে, পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের উত্তরপত্র নির্ভুল মূল্যায়নের লক্ষ্যে কর্মশালার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। উত্তরপত্র মানসম্পন্নভাবে মূল্যায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষকদের ৩০০টি উত্তরপত্র প্রদান করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার জন্য শেড নির্মাণের নির্দেশনা ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

Share this news as a Photo Card