নিউইয়র্ক ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাকে নিয়ে অপপ্রচারে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মৌসুমীপুত্র ফারদিনের

  • আপডেটের সময় : ০১:০৮:২২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

মাকে নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন ঢালিউডের অন্যতম তারকা দম্পতি ওমর সানী-মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহেসান স্বাধীন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কনটেন্ট সরিয়ে না নিলে উকিল নোটিশ পাঠানোসহ মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ৫৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ হুঁশিয়ারি দেন ফারদিন।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি, তারপরে উকিল নোটিশ এবং মামলা। এই কথা বলার আগে তার কলিজা কতটুকু, সে বাংলাদেশের জন্ম কি না, সেটা আমার দেখা দরকার আছে। আমার মা হচ্ছে আমার মাথার তাজ। অনেক হয়েছে, প্যাকেট করে বাসায় যাও। এইসব ডিলিট করার সময় ২৪ ঘণ্টা, না হলে বাকিটা পরশু দেখা যাবে।’

ফারদিনের পোস্টে দুটি ফেসবুক পেজের স্ক্রিনশট দেখা যায়। তার অভিযোগ, এসব পেজে ওমর সানী ও মৌসুমীর পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছিল। পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও লিংকও শেয়ার করেন তিনি। তবে লিংকটিতে ক্লিক করে ভিডিওটি আর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, মৌসুমীকে নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, ফারদিন কৌশলে পরিবারের সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ওমর সানী।

ওমর সানী জানান, ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পত্তি নেই বলেও দাবি করেন তিনি। ফলে মৌসুমীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার খবরটি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে জানান এই অভিনেতা।

এদিকে, ছেলের ফেসবুক পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওমর সানী। মাকে নিয়ে ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ফারদিনের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তিনি।

ফারদিনের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট পেজগুলো কনটেন্ট সরিয়ে নেয় কি না, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের কাজের অনুমতির মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা বাতিল

সৌদি আরব ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

১৪ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

মাকে নিয়ে অপপ্রচারে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মৌসুমীপুত্র ফারদিনের

আপডেটের সময় : ০১:০৮:২২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মাকে নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছেন ঢালিউডের অন্যতম তারকা দম্পতি ওমর সানী-মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহেসান স্বাধীন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কনটেন্ট সরিয়ে না নিলে উকিল নোটিশ পাঠানোসহ মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ৫৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ হুঁশিয়ারি দেন ফারদিন।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি, তারপরে উকিল নোটিশ এবং মামলা। এই কথা বলার আগে তার কলিজা কতটুকু, সে বাংলাদেশের জন্ম কি না, সেটা আমার দেখা দরকার আছে। আমার মা হচ্ছে আমার মাথার তাজ। অনেক হয়েছে, প্যাকেট করে বাসায় যাও। এইসব ডিলিট করার সময় ২৪ ঘণ্টা, না হলে বাকিটা পরশু দেখা যাবে।’

ফারদিনের পোস্টে দুটি ফেসবুক পেজের স্ক্রিনশট দেখা যায়। তার অভিযোগ, এসব পেজে ওমর সানী ও মৌসুমীর পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছিল। পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও লিংকও শেয়ার করেন তিনি। তবে লিংকটিতে ক্লিক করে ভিডিওটি আর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, মৌসুমীকে নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, ফারদিন কৌশলে পরিবারের সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ওমর সানী।

ওমর সানী জানান, ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পত্তি নেই বলেও দাবি করেন তিনি। ফলে মৌসুমীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার খবরটি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে জানান এই অভিনেতা।

এদিকে, ছেলের ফেসবুক পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওমর সানী। মাকে নিয়ে ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ফারদিনের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তিনি।

ফারদিনের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট পেজগুলো কনটেন্ট সরিয়ে নেয় কি না, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।

Share this news as a Photo Card