নিউইয়র্ক ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০৪:৫০:৫১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, ‘শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে আমরা খুব শীঘ্রই পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করব, আপনাদের সামনে তার ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’ 

সোমবার (৮ আগস্ট) সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোনো পরীক্ষার্থী যদি ন্যায্য নম্বর থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে কিংবা নম্বর প্রদানে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকে, তবে রিভিউ কমিটির মাধ্যমে তার সঠিক মূল্যায়ন করা হবে।’

ফল পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে শুধু নম্বর যোগ-বিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হতো। কিন্তু এবার আমরা আইনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর খাতা যথাযথভাবে পুনর্নিরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করেছি। যদি কোনো শিক্ষক মূল্যায়নকালে যথাযথ নম্বর না দিয়ে থাকেন বা অসাবধানতাবশত ত্রুটি হয়ে থাকে, তবে অভিজ্ঞ রিভিউ কমিটির সম্মুখে সেই খাতা পুনরায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রিভিউ করা হবে। পরীক্ষার্থীকে তার প্রাপ্য নম্বর বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে যখন আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম এবং কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল নির্মূল করেছিলাম, তখনও প্রাথমিক অবস্থায় শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ধারাবাহিক ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে সেই সংখ্যা আমরা সফলভাবে কমিয়ে এনেছিলাম এবং সামগ্রিক পাসের হার ২৮ শতাংশ থেকে ৭৭ শতাংশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে।’

ঢাকা ও দেশের অন্যান্য বিশেষ করে উপকূলীয় বা পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বৈষম্য সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত পার্থক্যের কারণে ফলের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভিন্নতা তৈরি হয়, যা বিশ্বের যে কোনো দেশেই বিদ্যমান। তবে শিক্ষার সার্বিক গুণগত মান বাড়িয়ে এ বৈষম্য দূর করতে সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায় থেকে বিশেষ তদারকি জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৪৭

ভারতের ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

১০ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৪:৫০:৫১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, ‘শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে আমরা খুব শীঘ্রই পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করব, আপনাদের সামনে তার ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’ 

সোমবার (৮ আগস্ট) সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোনো পরীক্ষার্থী যদি ন্যায্য নম্বর থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে কিংবা নম্বর প্রদানে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকে, তবে রিভিউ কমিটির মাধ্যমে তার সঠিক মূল্যায়ন করা হবে।’

ফল পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে শুধু নম্বর যোগ-বিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হতো। কিন্তু এবার আমরা আইনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর খাতা যথাযথভাবে পুনর্নিরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করেছি। যদি কোনো শিক্ষক মূল্যায়নকালে যথাযথ নম্বর না দিয়ে থাকেন বা অসাবধানতাবশত ত্রুটি হয়ে থাকে, তবে অভিজ্ঞ রিভিউ কমিটির সম্মুখে সেই খাতা পুনরায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রিভিউ করা হবে। পরীক্ষার্থীকে তার প্রাপ্য নম্বর বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে যখন আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম এবং কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল নির্মূল করেছিলাম, তখনও প্রাথমিক অবস্থায় শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ধারাবাহিক ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে সেই সংখ্যা আমরা সফলভাবে কমিয়ে এনেছিলাম এবং সামগ্রিক পাসের হার ২৮ শতাংশ থেকে ৭৭ শতাংশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে।’

ঢাকা ও দেশের অন্যান্য বিশেষ করে উপকূলীয় বা পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বৈষম্য সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত পার্থক্যের কারণে ফলের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভিন্নতা তৈরি হয়, যা বিশ্বের যে কোনো দেশেই বিদ্যমান। তবে শিক্ষার সার্বিক গুণগত মান বাড়িয়ে এ বৈষম্য দূর করতে সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায় থেকে বিশেষ তদারকি জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card