নিউইয়র্ক ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওপেনএআই কার্যালয়ে গোপন রেকর্ডিং ডিভাইস বসিয়ে গ্রেপ্তার সৌদি কর্মী

  • আপডেটের সময় : ১২:৫৭:৫৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্যালয়ে গোপনে রেকর্ডিং যন্ত্র স্থাপনের অভিযোগে এক সৌদি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিরা স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযুক্তের নাম আবদুলরহমান আলফোজান। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ওপেনএআইয়ে প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক বা যান্ত্রিক যন্ত্র ব্যবহার করে মৌখিক কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, সান ফ্রান্সিসকোর তাদের কার্যালয়ে একটি জটিল প্রযুক্তির রেকর্ডিং যন্ত্র খুঁজে পাওয়ার পর তারা এফবিআইকে বিষয়টি জানায়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের এআই মডেল ব্যবহার করেই শনাক্ত করা সম্ভব হয় যে একজন নির্দিষ্ট কর্মী যন্ত্রটি সেখানে বসিয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিদের বরাতে জানা গেছে, একটি নির্বাহী সম্মেলনকক্ষের টেলিভিশনের পেছনের ইউএসবি পোর্টে টয়লেট পেপারে মোড়ানো অবস্থায় যন্ত্রটি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ওপেনএআই আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় তাদের সোর্স কোড, মডেলের ওয়েট বা গ্রাহকদের কোনো তথ্য চুরি বা অননুমোদিত ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কর্মীকে ইতিমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, অভিযোগ অনুযায়ী আলফোজান সংবেদনশীল কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার উদ্দেশ্যে নিয়োগকর্তার সম্মেলনকক্ষে রেকর্ডিং যন্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওপেনএআইয়ের কর্মীরা যন্ত্রটি খুঁজে পান। কৌঁসুলিদের অভিযোগ, এর দুই দিন আগে যন্ত্রটি সেখানে বসানো হয়েছিল এবং এতে এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওপেনএআইয়ের সংবেদনশীল স্থানগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং গোপন অডিও রেকর্ডিংয়ের সরঞ্জাম বসানোর পদ্ধতি জানতে একটি উৎপাদনশীলতা বিষয়ক টুল ও চ্যাটবট ব্যবহার করেছিলেন। তিনি চ্যাটবটে যন্ত্র তৈরি, পরিবর্তন, স্থাপন, অডিও রেকর্ডিং, আড়াল করা এবং দূর থেকে প্রবেশের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৌঁসুলিদের দাবি, গত ৫ অক্টোবর যন্ত্রটি পরীক্ষা করতে আবার ওই কক্ষে যান আলফোজান। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে ঘটনাস্থলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। একই দিন ভবনের অন্য একটি স্থানে তিনি একটি ব্যাগ ফেলে যান। ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা ব্যাগটি খুলে তার মানিব্যাগ, পরিচয়পত্র এবং সম্মেলনকক্ষে পাওয়া যন্ত্রটির মতো আরেকটি রেকর্ডিং যন্ত্র পান।

মঙ্গলবার আদালতে হাজির হন আলফোজান। তার পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্যালয়ে গোপনে রেকর্ডিং যন্ত্র স্থাপনের অভিযোগে এক সৌদি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিরা স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযুক্তের নাম আবদুলরহমান আলফোজান। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ওপেনএআইয়ে প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক বা যান্ত্রিক যন্ত্র ব্যবহার করে মৌখিক কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, সান ফ্রান্সিসকোর তাদের কার্যালয়ে একটি জটিল প্রযুক্তির রেকর্ডিং যন্ত্র খুঁজে পাওয়ার পর তারা এফবিআইকে বিষয়টি জানায়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের এআই মডেল ব্যবহার করেই শনাক্ত করা সম্ভব হয় যে একজন নির্দিষ্ট কর্মী যন্ত্রটি সেখানে বসিয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিদের বরাতে জানা গেছে, একটি নির্বাহী সম্মেলনকক্ষের টেলিভিশনের পেছনের ইউএসবি পোর্টে টয়লেট পেপারে মোড়ানো অবস্থায় যন্ত্রটি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ওপেনএআই আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় তাদের সোর্স কোড, মডেলের ওয়েট বা গ্রাহকদের কোনো তথ্য চুরি বা অননুমোদিত ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কর্মীকে ইতিমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, অভিযোগ অনুযায়ী আলফোজান সংবেদনশীল কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার উদ্দেশ্যে নিয়োগকর্তার সম্মেলনকক্ষে রেকর্ডিং যন্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওপেনএআইয়ের কর্মীরা যন্ত্রটি খুঁজে পান। কৌঁসুলিদের অভিযোগ, এর দুই দিন আগে যন্ত্রটি সেখানে বসানো হয়েছিল এবং এতে এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওপেনএআইয়ের সংবেদনশীল স্থানগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং গোপন অডিও রেকর্ডিংয়ের সরঞ্জাম বসানোর পদ্ধতি জানতে একটি উৎপাদনশীলতা বিষয়ক টুল ও চ্যাটবট ব্যবহার করেছিলেন। তিনি চ্যাটবটে যন্ত্র তৈরি, পরিবর্তন, স্থাপন, অডিও রেকর্ডিং, আড়াল করা এবং দূর থেকে প্রবেশের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৌঁসুলিদের দাবি, গত ৫ অক্টোবর যন্ত্রটি পরীক্ষা করতে আবার ওই কক্ষে যান আলফোজান। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে ঘটনাস্থলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। একই দিন ভবনের অন্য একটি স্থানে তিনি একটি ব্যাগ ফেলে যান। ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা ব্যাগটি খুলে তার মানিব্যাগ, পরিচয়পত্র এবং সম্মেলনকক্ষে পাওয়া যন্ত্রটির মতো আরেকটি রেকর্ডিং যন্ত্র পান।

মঙ্গলবার আদালতে হাজির হন আলফোজান। তার পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের কাজের অনুমতির মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা বাতিল

সৌদি আরব ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

১৪ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ওপেনএআই কার্যালয়ে গোপন রেকর্ডিং ডিভাইস বসিয়ে গ্রেপ্তার সৌদি কর্মী

আপডেটের সময় : ১২:৫৭:৫৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্যালয়ে গোপনে রেকর্ডিং যন্ত্র স্থাপনের অভিযোগে এক সৌদি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিরা স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযুক্তের নাম আবদুলরহমান আলফোজান। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ওপেনএআইয়ে প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক বা যান্ত্রিক যন্ত্র ব্যবহার করে মৌখিক কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, সান ফ্রান্সিসকোর তাদের কার্যালয়ে একটি জটিল প্রযুক্তির রেকর্ডিং যন্ত্র খুঁজে পাওয়ার পর তারা এফবিআইকে বিষয়টি জানায়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের এআই মডেল ব্যবহার করেই শনাক্ত করা সম্ভব হয় যে একজন নির্দিষ্ট কর্মী যন্ত্রটি সেখানে বসিয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিদের বরাতে জানা গেছে, একটি নির্বাহী সম্মেলনকক্ষের টেলিভিশনের পেছনের ইউএসবি পোর্টে টয়লেট পেপারে মোড়ানো অবস্থায় যন্ত্রটি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ওপেনএআই আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় তাদের সোর্স কোড, মডেলের ওয়েট বা গ্রাহকদের কোনো তথ্য চুরি বা অননুমোদিত ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কর্মীকে ইতিমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, অভিযোগ অনুযায়ী আলফোজান সংবেদনশীল কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার উদ্দেশ্যে নিয়োগকর্তার সম্মেলনকক্ষে রেকর্ডিং যন্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওপেনএআইয়ের কর্মীরা যন্ত্রটি খুঁজে পান। কৌঁসুলিদের অভিযোগ, এর দুই দিন আগে যন্ত্রটি সেখানে বসানো হয়েছিল এবং এতে এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওপেনএআইয়ের সংবেদনশীল স্থানগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং গোপন অডিও রেকর্ডিংয়ের সরঞ্জাম বসানোর পদ্ধতি জানতে একটি উৎপাদনশীলতা বিষয়ক টুল ও চ্যাটবট ব্যবহার করেছিলেন। তিনি চ্যাটবটে যন্ত্র তৈরি, পরিবর্তন, স্থাপন, অডিও রেকর্ডিং, আড়াল করা এবং দূর থেকে প্রবেশের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৌঁসুলিদের দাবি, গত ৫ অক্টোবর যন্ত্রটি পরীক্ষা করতে আবার ওই কক্ষে যান আলফোজান। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে ঘটনাস্থলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। একই দিন ভবনের অন্য একটি স্থানে তিনি একটি ব্যাগ ফেলে যান। ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা ব্যাগটি খুলে তার মানিব্যাগ, পরিচয়পত্র এবং সম্মেলনকক্ষে পাওয়া যন্ত্রটির মতো আরেকটি রেকর্ডিং যন্ত্র পান।

মঙ্গলবার আদালতে হাজির হন আলফোজান। তার পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্যালয়ে গোপনে রেকর্ডিং যন্ত্র স্থাপনের অভিযোগে এক সৌদি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিরা স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযুক্তের নাম আবদুলরহমান আলফোজান। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ওপেনএআইয়ে প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক বা যান্ত্রিক যন্ত্র ব্যবহার করে মৌখিক কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, সান ফ্রান্সিসকোর তাদের কার্যালয়ে একটি জটিল প্রযুক্তির রেকর্ডিং যন্ত্র খুঁজে পাওয়ার পর তারা এফবিআইকে বিষয়টি জানায়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের এআই মডেল ব্যবহার করেই শনাক্ত করা সম্ভব হয় যে একজন নির্দিষ্ট কর্মী যন্ত্রটি সেখানে বসিয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিদের বরাতে জানা গেছে, একটি নির্বাহী সম্মেলনকক্ষের টেলিভিশনের পেছনের ইউএসবি পোর্টে টয়লেট পেপারে মোড়ানো অবস্থায় যন্ত্রটি ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ওপেনএআই আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় তাদের সোর্স কোড, মডেলের ওয়েট বা গ্রাহকদের কোনো তথ্য চুরি বা অননুমোদিত ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কর্মীকে ইতিমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, অভিযোগ অনুযায়ী আলফোজান সংবেদনশীল কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করার উদ্দেশ্যে নিয়োগকর্তার সম্মেলনকক্ষে রেকর্ডিং যন্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওপেনএআইয়ের কর্মীরা যন্ত্রটি খুঁজে পান। কৌঁসুলিদের অভিযোগ, এর দুই দিন আগে যন্ত্রটি সেখানে বসানো হয়েছিল এবং এতে এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওপেনএআইয়ের সংবেদনশীল স্থানগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং গোপন অডিও রেকর্ডিংয়ের সরঞ্জাম বসানোর পদ্ধতি জানতে একটি উৎপাদনশীলতা বিষয়ক টুল ও চ্যাটবট ব্যবহার করেছিলেন। তিনি চ্যাটবটে যন্ত্র তৈরি, পরিবর্তন, স্থাপন, অডিও রেকর্ডিং, আড়াল করা এবং দূর থেকে প্রবেশের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৌঁসুলিদের দাবি, গত ৫ অক্টোবর যন্ত্রটি পরীক্ষা করতে আবার ওই কক্ষে যান আলফোজান। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে ঘটনাস্থলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। একই দিন ভবনের অন্য একটি স্থানে তিনি একটি ব্যাগ ফেলে যান। ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা ব্যাগটি খুলে তার মানিব্যাগ, পরিচয়পত্র এবং সম্মেলনকক্ষে পাওয়া যন্ত্রটির মতো আরেকটি রেকর্ডিং যন্ত্র পান।

মঙ্গলবার আদালতে হাজির হন আলফোজান। তার পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

Share this news as a Photo Card