নিউইয়র্ক ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩ দিনেও মেলেনি সাটুরিয়ার নিখোঁজ দুই মাদ্রাসাছাত্রীর সন্ধান

  • আপডেটের সময় : ০৬:৩৬:২৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার একটি আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীর ১৩ দিন পার হলেও এখনো তাদের উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানদের কোনো খোঁজ না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দুই পরিবারের সদস্যদের।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী সাটুরিয়া উপজেলার জামিয়া জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) সৈয়দা গুলজান বেগম মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় থেকে পড়াশোনা করতেন। ১৩ দিন আগে তারা সাময়িক সময়ের জন্য বাইরে যাওয়ার কথা বলে মাদ্রাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে তারা আর মাদ্রাসা কিংবা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসেননি। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের স্বজনরা জানান, সন্তানরা কোথায় এবং কেমন আছে, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। গত ১৩ দিন ধরে চরম দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটছে তাদের। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত দুই শিক্ষার্থীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষার্থীরা নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে সাটুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে ঘটনার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত বা উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশি তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মর্তুজা বলেন, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তৎপর রয়েছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের অবস্থান শনাক্তে তথ্যপ্রযুক্তিসহ সব ধরনের উপায়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দ্রুতই তাদের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, ১৩ দিন পরও দুই মাদ্রাসাছাত্রীর সন্ধান না মেলায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ঘটনার রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন এবং দুই শিক্ষার্থীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৩৮ বছর পর ফোন করে নিজের দোষ স্বীকার করল খুনি, জট খুলছে রহস্যজনক খুনের

ফিলিস্তিনিদের উৎপাদিত পণ্য অবৈধভাবে ইউরোপে পাচার করছে ইসরায়েল

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

১৩ দিনেও মেলেনি সাটুরিয়ার নিখোঁজ দুই মাদ্রাসাছাত্রীর সন্ধান

আপডেটের সময় : ০৬:৩৬:২৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার একটি আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীর ১৩ দিন পার হলেও এখনো তাদের উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানদের কোনো খোঁজ না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দুই পরিবারের সদস্যদের।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী সাটুরিয়া উপজেলার জামিয়া জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) সৈয়দা গুলজান বেগম মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় থেকে পড়াশোনা করতেন। ১৩ দিন আগে তারা সাময়িক সময়ের জন্য বাইরে যাওয়ার কথা বলে মাদ্রাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে তারা আর মাদ্রাসা কিংবা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসেননি। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের স্বজনরা জানান, সন্তানরা কোথায় এবং কেমন আছে, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। গত ১৩ দিন ধরে চরম দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটছে তাদের। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত দুই শিক্ষার্থীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষার্থীরা নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে সাটুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে ঘটনার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত বা উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশি তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মর্তুজা বলেন, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তৎপর রয়েছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের অবস্থান শনাক্তে তথ্যপ্রযুক্তিসহ সব ধরনের উপায়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দ্রুতই তাদের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, ১৩ দিন পরও দুই মাদ্রাসাছাত্রীর সন্ধান না মেলায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ঘটনার রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন এবং দুই শিক্ষার্থীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Share this news as a Photo Card