নিউইয়র্ক ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিল পরিশোধ ও রিচার্জে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মিলবে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ

  • আপডেটের সময় : ০৭:০৯:৪৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

জরুরি মুহূর্তে মোবাইল রিচার্জ ও গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধের সুবিধার্থে গ্রাহকদের জন্য নতুন একটি ডিজিটাল ঋণব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সেবার আওতায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনা সুদে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ধার নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রণীত নতুন খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহীত এই ক্ষুদ্রঋণ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। মূলত দেশে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সর্বসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের জন্য এরই মধ্যে খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে। সবার পরামর্শ ও মতামত নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে, ডিজিটাল এই ঋণের ওপর কোনো ধরনের সুদ প্রযোজ্য হবে না। তবে ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংক বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট অঙ্কের সার্ভিস ফি বা সেবামূল্য আদায় করতে পারবে। নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা এবং ২৫১ থেকে ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে ১০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে। একইভাবে ৫০১ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা, এক হাজার এক থেকে দুই হাজার টাকার ক্ষেত্রে ২৫ টাকা, দুই হাজার এক থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ৩৫ টাকা এবং তিন হাজার এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সার্ভিস ফি দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছে যে, অনুমোদিত এই সার্ভিস ফি ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের সুদ, জরিমানা, প্রসেসিং ফি বা অতিরিক্ত অন্য কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না। এমনকি কোনো গ্রাহক যদি নির্ধারিত ৩০ দিন সময়ের আগেই ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেন, তবে তার কাছ থেকে আগাম সমন্বয়ের (আর্লি সেটেলমেন্ট) জন্য বাড়তি কোনো ফি নেওয়ারও সুযোগ থাকবে না।

আধুনিক এই ঋণ প্রদান ও গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে। সনাতন পদ্ধতির মতো কাগজের নথিপত্রে স্বাক্ষরের কোনো প্রয়োজন এতে পড়বে না। এর পরিবর্তে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গ্রাহকের সম্মতি গ্রহণ এবং বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করে দ্রুততার সঙ্গে এই ঋণ অনুমোদন করবে ব্যাংকগুলো।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর

নতুন প্রেসিডেন্টের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় বোমা হামলা

১০ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

বিল পরিশোধ ও রিচার্জে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মিলবে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ

আপডেটের সময় : ০৭:০৯:৪৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

জরুরি মুহূর্তে মোবাইল রিচার্জ ও গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধের সুবিধার্থে গ্রাহকদের জন্য নতুন একটি ডিজিটাল ঋণব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সেবার আওতায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনা সুদে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ধার নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রণীত নতুন খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহীত এই ক্ষুদ্রঋণ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। মূলত দেশে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সর্বসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের জন্য এরই মধ্যে খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে। সবার পরামর্শ ও মতামত নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে, ডিজিটাল এই ঋণের ওপর কোনো ধরনের সুদ প্রযোজ্য হবে না। তবে ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংক বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট অঙ্কের সার্ভিস ফি বা সেবামূল্য আদায় করতে পারবে। নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা এবং ২৫১ থেকে ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে ১০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে। একইভাবে ৫০১ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা, এক হাজার এক থেকে দুই হাজার টাকার ক্ষেত্রে ২৫ টাকা, দুই হাজার এক থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ৩৫ টাকা এবং তিন হাজার এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সার্ভিস ফি দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছে যে, অনুমোদিত এই সার্ভিস ফি ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের সুদ, জরিমানা, প্রসেসিং ফি বা অতিরিক্ত অন্য কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না। এমনকি কোনো গ্রাহক যদি নির্ধারিত ৩০ দিন সময়ের আগেই ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেন, তবে তার কাছ থেকে আগাম সমন্বয়ের (আর্লি সেটেলমেন্ট) জন্য বাড়তি কোনো ফি নেওয়ারও সুযোগ থাকবে না।

আধুনিক এই ঋণ প্রদান ও গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে। সনাতন পদ্ধতির মতো কাগজের নথিপত্রে স্বাক্ষরের কোনো প্রয়োজন এতে পড়বে না। এর পরিবর্তে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গ্রাহকের সম্মতি গ্রহণ এবং বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করে দ্রুততার সঙ্গে এই ঋণ অনুমোদন করবে ব্যাংকগুলো।

Share this news as a Photo Card