নিউইয়র্ক ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলের বাইরে ভোট দিলে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর হবে কি না, তা রাজনৈতিক প্রশ্ন: ইসি সচিব

  • আপডেটের সময় : ০৪:৪২:২২ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা নিজ দলের প্রার্থীর বাইরে ভোট দেওয়ার বিষয় বা এতে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর হওয়া না-হওয়া সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্ন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সংসদ সচিবালয়ে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক যৌথ প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি জানান, এটি রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়, যা নির্বাচনের কারিগরি ও আইনি পরিচালনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬-এর ভোট গ্রহণের সার্বিক বিষয় চূড়ান্ত করা হয়। আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাদের নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের সহায়ক কর্মকর্তারা তাদের কাছে সরাসরি ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন। সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য কক্ষে ৩টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হবে।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় যে, নির্বাচনে যদি কোনো রাজনৈতিক দল যেমন জামায়াতে ইসলামী বা বিএনপি পৃথক প্রার্থী মনোনীত করে এবং কোনো সংসদ সদস্য নিজ দলের মনোনীত প্রার্থীর বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীকে বা বিরোধী বলয়ের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন, তবে সে ক্ষেত্রে ভোটারদের প্রাপ্ত ভোট হিসেবে গণ্য করা হবে কি না এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের আসন বাতিল বা অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

এর জবাবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা ক্রসিং ভোটিং সংক্রান্ত জটিলতা সম্পূর্ণই রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়। এ বিষয়গুলো রাজনৈতিক আলোচনার আওতাভুক্ত এবং নির্বাচনের কারিগরি ও আইনি পরিচালনা পদ্ধতির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। কমিশনের মূল লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নিয়মে নির্বাচন সম্পন্ন করা।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক দল হতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়ার বিষয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ-এ বলা হয়েছে, কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি- উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে। তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন না।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৩৮ বছর পর ফোন করে নিজের দোষ স্বীকার করল খুনি, জট খুলছে রহস্যজনক খুনের

ফিলিস্তিনিদের উৎপাদিত পণ্য অবৈধভাবে ইউরোপে পাচার করছে ইসরায়েল

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

দলের বাইরে ভোট দিলে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর হবে কি না, তা রাজনৈতিক প্রশ্ন: ইসি সচিব

আপডেটের সময় : ০৪:৪২:২২ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা নিজ দলের প্রার্থীর বাইরে ভোট দেওয়ার বিষয় বা এতে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর হওয়া না-হওয়া সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্ন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সংসদ সচিবালয়ে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক যৌথ প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি জানান, এটি রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়, যা নির্বাচনের কারিগরি ও আইনি পরিচালনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬-এর ভোট গ্রহণের সার্বিক বিষয় চূড়ান্ত করা হয়। আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাদের নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের সহায়ক কর্মকর্তারা তাদের কাছে সরাসরি ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন। সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য কক্ষে ৩টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হবে।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় যে, নির্বাচনে যদি কোনো রাজনৈতিক দল যেমন জামায়াতে ইসলামী বা বিএনপি পৃথক প্রার্থী মনোনীত করে এবং কোনো সংসদ সদস্য নিজ দলের মনোনীত প্রার্থীর বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীকে বা বিরোধী বলয়ের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন, তবে সে ক্ষেত্রে ভোটারদের প্রাপ্ত ভোট হিসেবে গণ্য করা হবে কি না এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের আসন বাতিল বা অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

এর জবাবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা ক্রসিং ভোটিং সংক্রান্ত জটিলতা সম্পূর্ণই রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়। এ বিষয়গুলো রাজনৈতিক আলোচনার আওতাভুক্ত এবং নির্বাচনের কারিগরি ও আইনি পরিচালনা পদ্ধতির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। কমিশনের মূল লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নিয়মে নির্বাচন সম্পন্ন করা।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক দল হতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়ার বিষয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ-এ বলা হয়েছে, কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি- উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে। তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন না।

Share this news as a Photo Card