নিউইয়র্ক ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণনাশের হুমকি-মারধর মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

  • আপডেটের সময় : ০৬:৩৭:০২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা সোলার ও বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা দিতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের (বিআইএফএফএল) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস এম ফরমানুল ইসলামকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি ও জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলাটি ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিআইএফএফএলের সাবেক সিইও এস এম ফরমানুল ইসলাম ১২ জনের বিরুদ্ধে করেন। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেয়।

পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর আগে আব্দুর রউফ তালুকদার, আবু হেনা মো. রহমতুল মুনিম, বিআইএফএফএলের সাবেক কোম্পানি সচিব মো. মনিরুল ইসলাম খান ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জামিন পান। সর্বশেষ সোমবার জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান।

মামলার অপর আসামি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব সাজ্জাদুল হাসান পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদী এস এম ফরমানুল ইসলামকে সালমান এফ রহমানের তিস্তা সোলার প্রকল্পে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করতে চাপ দেন। তবে বিআইএফএফএলের নীতিমালা অনুযায়ী তা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার তার ওপর ক্ষিপ্ত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে তিস্তা সোলার প্রকল্পের অনুকূলে ২০০ কোটি টাকা জিরো কুপন বন্ডে বিনিয়োগের কথা বলে ওই অর্থ আগাম ঋণ হিসেবে চাওয়া হয়। বাদী পর্যাপ্ত তহবিল নেই বলে জানালে আবারও তার ওপর ক্ষুব্ধ হওয়ার অভিযোগ করা হয়।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, অবৈধ সুবিধা দিতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা এস এম ফরমানুল ইসলামকে জোর করে চাকরি থেকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। এতে তার আর্থিক ক্ষতি, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও মানহানি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

হ্রদে সাঁতার কাটার পর মগজখেকো অ্যামিবায় যুক্তরাষ্ট্রে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু

ইরানের ওপর চূড়ান্ত সংঘাতের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ তেহরানের

২৪ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

প্রাণনাশের হুমকি-মারধর মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

আপডেটের সময় : ০৬:৩৭:০২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

তিস্তা সোলার ও বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা দিতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের (বিআইএফএফএল) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস এম ফরমানুল ইসলামকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি ও জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলাটি ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিআইএফএফএলের সাবেক সিইও এস এম ফরমানুল ইসলাম ১২ জনের বিরুদ্ধে করেন। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেয়।

পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর আগে আব্দুর রউফ তালুকদার, আবু হেনা মো. রহমতুল মুনিম, বিআইএফএফএলের সাবেক কোম্পানি সচিব মো. মনিরুল ইসলাম খান ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জামিন পান। সর্বশেষ সোমবার জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান।

মামলার অপর আসামি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব সাজ্জাদুল হাসান পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদী এস এম ফরমানুল ইসলামকে সালমান এফ রহমানের তিস্তা সোলার প্রকল্পে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করতে চাপ দেন। তবে বিআইএফএফএলের নীতিমালা অনুযায়ী তা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার তার ওপর ক্ষিপ্ত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে তিস্তা সোলার প্রকল্পের অনুকূলে ২০০ কোটি টাকা জিরো কুপন বন্ডে বিনিয়োগের কথা বলে ওই অর্থ আগাম ঋণ হিসেবে চাওয়া হয়। বাদী পর্যাপ্ত তহবিল নেই বলে জানালে আবারও তার ওপর ক্ষুব্ধ হওয়ার অভিযোগ করা হয়।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, অবৈধ সুবিধা দিতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা এস এম ফরমানুল ইসলামকে জোর করে চাকরি থেকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। এতে তার আর্থিক ক্ষতি, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও মানহানি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card