নিউইয়র্ক ০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি অর্থবছরে ৪৩ খাতে পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা হার অপরিবর্তিত রাখল সরকার

  • আপডেটের সময় : ০৮:০২:৫৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে ৪৩ খাতে রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার হার অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে। পণ্যভিত্তিক হার আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে, যা নীতিগত ধারাবাহিকতার প্রতিফলন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অপরিবর্তিত রাখা প্রণোদনার হার ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে রপ্তানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। 

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন সাপেক্ষে এবং বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

প্রজ্ঞাপনে সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে বিকল্প নগদ সহায়তা ১.৫০ শতাংশ এবং ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ০.৫০ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে ৩ শতাংশ এবং নতুন পণ্য বা নতুন বাজার (বস্ত্র খাত) সম্প্রসারণে ২ শতাংশ সহায়তা পাওয়া যাবে। এছাড়া তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে ০.৩০ শতাংশ।

বলা হয়েছে, কৃষি ও পাট খাতে সরকারের বিশেষ সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানিতে এবং আলু রপ্তানিতে ১০ শতাংশ প্রণোদনা বজায় রাখা হয়েছে। বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং হস্তশিল্প পণ্যে ৬ শতাংশ সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, প্রযুক্তি ও অন্যান্য উদীয়মান খাতের মধ্যে সফটওয়্যার এবং আইটি এনাবলড সার্ভিসেস (আইটিইএস) রপ্তানিতে ৬ শতাংশ এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা রাখা হয়েছে। ওষুধ বা ফার্মা খাতে ৬ শতাংশ এবং অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) রপ্তানিতে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এছাড়া জাহাজ রপ্তানি ও ফার্নিচার রপ্তানিতে যথাক্রমে ৬ শতাংশ ও ৮ শতাংশ হার অপরিবর্তিত আছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, রপ্তানি প্রণোদনার আবেদনসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত অডিট ফার্ম দ্বারা যথাযথভাবে নিরীক্ষা করাতে হবে। প্রণোদনা প্রদানের ক্ষেত্রে পূর্বের সার্কুলারে ঘোষিত সকল শর্তাবলি এবং নির্দেশনা যথারীতি কার্যকর থাকবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিসের ‘লজ্জার’ রেকর্ড গড়লেন মেসি

০৭ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

চলতি অর্থবছরে ৪৩ খাতে পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা হার অপরিবর্তিত রাখল সরকার

আপডেটের সময় : ০৮:০২:৫৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে ৪৩ খাতে রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার হার অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে। পণ্যভিত্তিক হার আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে, যা নীতিগত ধারাবাহিকতার প্রতিফলন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অপরিবর্তিত রাখা প্রণোদনার হার ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে রপ্তানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। 

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন সাপেক্ষে এবং বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

প্রজ্ঞাপনে সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে বিকল্প নগদ সহায়তা ১.৫০ শতাংশ এবং ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ০.৫০ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে ৩ শতাংশ এবং নতুন পণ্য বা নতুন বাজার (বস্ত্র খাত) সম্প্রসারণে ২ শতাংশ সহায়তা পাওয়া যাবে। এছাড়া তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে ০.৩০ শতাংশ।

বলা হয়েছে, কৃষি ও পাট খাতে সরকারের বিশেষ সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানিতে এবং আলু রপ্তানিতে ১০ শতাংশ প্রণোদনা বজায় রাখা হয়েছে। বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং হস্তশিল্প পণ্যে ৬ শতাংশ সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, প্রযুক্তি ও অন্যান্য উদীয়মান খাতের মধ্যে সফটওয়্যার এবং আইটি এনাবলড সার্ভিসেস (আইটিইএস) রপ্তানিতে ৬ শতাংশ এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা রাখা হয়েছে। ওষুধ বা ফার্মা খাতে ৬ শতাংশ এবং অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) রপ্তানিতে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এছাড়া জাহাজ রপ্তানি ও ফার্নিচার রপ্তানিতে যথাক্রমে ৬ শতাংশ ও ৮ শতাংশ হার অপরিবর্তিত আছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, রপ্তানি প্রণোদনার আবেদনসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত অডিট ফার্ম দ্বারা যথাযথভাবে নিরীক্ষা করাতে হবে। প্রণোদনা প্রদানের ক্ষেত্রে পূর্বের সার্কুলারে ঘোষিত সকল শর্তাবলি এবং নির্দেশনা যথারীতি কার্যকর থাকবে।

Share this news as a Photo Card