নিউইয়র্ক ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যাটো আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হচ্ছে: উত্তর কোরিয়া

  • আপডেটের সময় : ০৮:১২:৩৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ন্যাটো তাদের জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের এই পরিকল্পনা ন্যাটোর একটি আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হওয়ার প্রকাশ্য প্রমাণ।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে ইউরোপজুড়ে ন্যাটোর সামরিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করা হয়। এই পরিকল্পনার আওতায় পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে নতুন পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় সদস্য দেশগুলোকে যুক্ত করতে নতুন পাইপলাইন এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র তৈরি করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

কেসিএনএ দাবি করেছে যে এই প্রকল্প কৌশলগত যুদ্ধ মজুত বজায় রাখার প্রতি ন্যাটোর মনোযোগ প্রকাশ করে এবং এই জোট ইউরোপের বাইরে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কেসিএনএ আরও দাবি করেছে যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ন্যাটো ইউরোপ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে তুলে ধরে তাদের কৌশলগত সামরিক সম্পদ প্রায়শই এই অঞ্চলে নিয়ে আসছে। 

একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার প্রতি শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে যোগসাজশ করে কোরীয় উপদ্বীপের কাছে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। এ ছাড়া রিম অব দ্য প্যাসিফিক বা ‘রিমপ্যাক’-এর মতো বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্যদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে সামরিক জোটটি এশিয়া-প্যাসিফিককে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

উত্তর কোরিয়া সতর্ক করে জানিয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ বিশ্বজুড়ে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে। তবে ন্যাটোর পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত বলা হয়ে আসছে যে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক এবং সদস্য দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হুমকি প্রতিরোধ করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজার ছাড়াল, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাদুর্ভাব

দায়িত্ব ছাড়লেন ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলা বিষয়ক উপদেষ্টা ক্লেভার-ক্যারন

০২ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ন্যাটো আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হচ্ছে: উত্তর কোরিয়া

আপডেটের সময় : ০৮:১২:৩৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

ন্যাটো তাদের জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের এই পরিকল্পনা ন্যাটোর একটি আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হওয়ার প্রকাশ্য প্রমাণ।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে ইউরোপজুড়ে ন্যাটোর সামরিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করা হয়। এই পরিকল্পনার আওতায় পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে নতুন পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় সদস্য দেশগুলোকে যুক্ত করতে নতুন পাইপলাইন এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র তৈরি করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

কেসিএনএ দাবি করেছে যে এই প্রকল্প কৌশলগত যুদ্ধ মজুত বজায় রাখার প্রতি ন্যাটোর মনোযোগ প্রকাশ করে এবং এই জোট ইউরোপের বাইরে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কেসিএনএ আরও দাবি করেছে যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ন্যাটো ইউরোপ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে তুলে ধরে তাদের কৌশলগত সামরিক সম্পদ প্রায়শই এই অঞ্চলে নিয়ে আসছে। 

একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার প্রতি শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে যোগসাজশ করে কোরীয় উপদ্বীপের কাছে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। এ ছাড়া রিম অব দ্য প্যাসিফিক বা ‘রিমপ্যাক’-এর মতো বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্যদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে সামরিক জোটটি এশিয়া-প্যাসিফিককে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

উত্তর কোরিয়া সতর্ক করে জানিয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ বিশ্বজুড়ে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে। তবে ন্যাটোর পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত বলা হয়ে আসছে যে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক এবং সদস্য দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হুমকি প্রতিরোধ করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Share this news as a Photo Card