নিউইয়র্ক ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসএসসি পরীক্ষা: গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল

  • আপডেটের সময় : ০৪:৫১:৩২ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয় থেকে কোন শিক্ষার্থীই পাস করতে পারে নাই। শতভাগ ফেল হয়েছে।

বিদ্যালয় দু’টি হচ্ছে পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। 

মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন জানান, বিগত ১৯৯৭ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ২০০৫ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় ২০০শিক্ষার্থী রয়েছে। একজন প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১১ শিক্ষক ও ৫ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন ভাতা পান। এর আগে বিদ্যালয়টির ফলাফল এমন বিপর্যয় হয় নাই। 

তিনি আরও জানান, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু তাদের কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। ফেল করেছে গণিত বিষয়ে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, গণিত শিক্ষক মো. ফারুক খালেক দীর্ঘদিন থেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ। বর্তমানে তিনি একটি মামলায় কারাগারে আছেন।

সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাকী বিল্লাহ জানান, বিগত ১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৯৮৭ সালে জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয়। আর এ বছরেই প্রথম বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি পায়। পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কিন্তু তারা কেউ পাস করেনি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ে মোট ৭ শিক্ষক ও ৬ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন ভাতা পান। 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আতাউর রহমান শতভাগ ফেলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এমপিওভুক্ত কোনো বিদ্যালয় থেকে এই ফলাফল আশা করা যায় না। কেন, কি কারণে শতভাগ ফেল হয়েছে। তা জানতে বিদ্যালয় দু’টির প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় দু’টি শীঘ্রই পরিদর্শন করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৩৮ বছর পর ফোন করে নিজের দোষ স্বীকার করল খুনি, জট খুলছে রহস্যজনক খুনের

ফিলিস্তিনিদের উৎপাদিত পণ্য অবৈধভাবে ইউরোপে পাচার করছে ইসরায়েল

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

এসএসসি পরীক্ষা: গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয়ে শতভাগ ফেল

আপডেটের সময় : ০৪:৫১:৩২ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় গাইবান্ধার দুই বিদ্যালয় থেকে কোন শিক্ষার্থীই পাস করতে পারে নাই। শতভাগ ফেল হয়েছে।

বিদ্যালয় দু’টি হচ্ছে পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। 

মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন জানান, বিগত ১৯৯৭ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ২০০৫ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় ২০০শিক্ষার্থী রয়েছে। একজন প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১১ শিক্ষক ও ৫ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন ভাতা পান। এর আগে বিদ্যালয়টির ফলাফল এমন বিপর্যয় হয় নাই। 

তিনি আরও জানান, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু তাদের কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। ফেল করেছে গণিত বিষয়ে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, গণিত শিক্ষক মো. ফারুক খালেক দীর্ঘদিন থেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ। বর্তমানে তিনি একটি মামলায় কারাগারে আছেন।

সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাকী বিল্লাহ জানান, বিগত ১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৯৮৭ সালে জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয়। আর এ বছরেই প্রথম বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি পায়। পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কিন্তু তারা কেউ পাস করেনি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ে মোট ৭ শিক্ষক ও ৬ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিয়মিত বেতন ভাতা পান। 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আতাউর রহমান শতভাগ ফেলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এমপিওভুক্ত কোনো বিদ্যালয় থেকে এই ফলাফল আশা করা যায় না। কেন, কি কারণে শতভাগ ফেল হয়েছে। তা জানতে বিদ্যালয় দু’টির প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় দু’টি শীঘ্রই পরিদর্শন করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card