নিউইয়র্ক ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

  • আপডেটের সময় : ০৬:২২:০২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
  • ২০ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। রোববার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বৈঠকের বিষয়ে অবগত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এটি পূর্বনির্ধারিত বৈঠক। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু এটুকু বলতে পারি যে এটি একটি পূর্বনির্ধারিত বৈঠক। তারা কী নিয়ে আলোচনা করেছেন, তা আমি জানি না।’

ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। বিশেষ করে নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজনে অডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, তাকে আটক বা কারাগারে পাঠানোর আশঙ্কা থাকলেও ভয় তার দায়িত্ব নির্ধারণ করতে পারে না। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের ভূমিকার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। এ আয়োজনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর দিনে এমন আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি গুরুতর অসম্মান।

তবে শেখ হাসিনার বক্তব্যের আয়োজনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক ও গঠনমূলক রাখার বিষয়ে ঢাকার অবস্থানও স্পষ্ট করেছে সরকার। গত ৬ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, নয়াদিল্লির সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ঢাকা। পানি, জ্বালানি ও সীমান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

আপডেটের সময় : ০৬:২২:০২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। রোববার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বৈঠকের বিষয়ে অবগত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এটি পূর্বনির্ধারিত বৈঠক। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু এটুকু বলতে পারি যে এটি একটি পূর্বনির্ধারিত বৈঠক। তারা কী নিয়ে আলোচনা করেছেন, তা আমি জানি না।’

ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। বিশেষ করে নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজনে অডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, তাকে আটক বা কারাগারে পাঠানোর আশঙ্কা থাকলেও ভয় তার দায়িত্ব নির্ধারণ করতে পারে না। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের ভূমিকার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। এ আয়োজনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর দিনে এমন আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি গুরুতর অসম্মান।

তবে শেখ হাসিনার বক্তব্যের আয়োজনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক ও গঠনমূলক রাখার বিষয়ে ঢাকার অবস্থানও স্পষ্ট করেছে সরকার। গত ৬ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, নয়াদিল্লির সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ঢাকা। পানি, জ্বালানি ও সীমান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

Share this news as a Photo Card