বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এগিয়ে যাচ্ছে মরক্কো। ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দেশ হিসেবে নিজেদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা প্রমাণের পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পেরোচ্ছে উত্তর আফ্রিকার দেশটি। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭নারী বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে মরক্কো। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে দেশটির ফুটবল সংস্কৃতি, দর্শকদের আবেগ এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে মরক্কোর অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, মরক্কোর রাজধানী রাবাতে পৌঁছান ইনফান্তিনো। গতকাল শুরু হওয়া অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও প্রথম ম্যাচে উপস্থিত থাকতেই তার এই সফর। মরক্কোর রয়্যাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা তাকে স্বাগত জানান। মরক্কোয় ফিরে নিজের আনন্দের কথাও জানিয়েছেন ইনফান্তিনো।
দেশটিকে ফুটবল ও উচ্ছ্বাসের কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, এখানকার মানুষ সত্যিকার অর্থেই ফুটবলকে ভালোবাসে। ফুটবলের এই সংযোগ তৈরির ক্ষমতার কথাও তুলে ধরেছেন ফিফা সভাপতি। তার বক্তব্যে মরক্কোর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। শান্তি, অন্তর্ভুক্তি, আশা ও অংশগ্রহণের মতো মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে ফুটবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তার বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।
মরক্কোর বর্তমান আয়োজনের গুরুত্ব বুঝতে হলে তাকাতে হবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের দিকে। স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে এই বিশ্বকাপ আয়োজন করবে দেশটি। তবে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করা আর বিশ্বকাপের মতো বিশাল প্রতিযোগিতা পরিচালনা করা এক বিষয় নয়। ২০৩০ সালে মরক্কোকে আরও বড় পরিসরে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে।


























