কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ার কারণ দেখিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে এক বিবৃতিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, মার্কিন বাজারের সর্বোত্তম প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে এবং কানাডীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় একটি ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছাতে অটোয়া কাজ করে যাচ্ছিল। বিশ্ববাজারে কানাডার অবস্থান সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও, তা দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
তিনি আরও জানান, আলোচনার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কানাডার প্রতিনিধি দল অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শেষ মুহূর্তে আনা কিছু প্রস্তাবিত শর্ত ছিল অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য, যা যেকোনো চুক্তির নির্ভরযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।
এর ফলে আলোচনা স্থগিত ঘোষণা করে ওয়াশিংটনে থাকা কানাডীয় দলের সব মধ্যস্থতাকারীদের অবিলম্বে অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার মধ্যরাত থেকে প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের (টাকার অঙ্কে ২৮ বিলিয়ন ডলার) কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপের জবাবে কানাডাও সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করে নিজেদের ব্যবসা ও কর্মীদের সুরক্ষা দেবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ওয়াশিংটনে ৩০ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার মূল্যমানের পণ্যে ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক কার্যকরের চূড়ান্ত সময়ের সামনে রেখে শুক্রবার সকালে দুদেশের মধ্যে পুনঃআলোচনা শুরু হয়েছিল। উভয় পক্ষ চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে দাবি করেছিল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একটি অত্যন্ত চমৎকার সমঝোতা হওয়ার আভাস দিয়েছিলেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি



















