নিউইয়র্ক ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লজ্জার হারেও লিটনের দম্ভ

  • আপডেটের সময় : ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ওঠার সুযোগ পেয়েও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ম্যাচটা যেন গলা টিপে হত্যা করেছে। নিশ্চিত জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া ম্যাচে বোলার মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্বল বোলিংয়ে ৬ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশের বিপক্ষে (১১১/৭) ম্যাচ জিততে ১১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নিজেরাই বুঝতে পারছিল ম্যাচ জেতা সম্ভব না। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমানের দুই দুটি ওভারে ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। পাকিস্তানের হাসান নেওয়াজ এবং আব্দুল সামাদ বাংলাদেশের বোলিং দেখে সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন পাকিস্তানের জুটি। 

মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম ওভারে ১৮ রান দিয়েছেন। দ্বিতীয় ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান ২৩ রান দিয়েছেন। নিশিন করোগি স্পোর্টস পার্কে পাকিস্তান খুব সহজেই ৬ উইকেটে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। পাকিস্তান জানিয়েছে তারা মাত্র দুজন সিনিয়র খেলোয়াড় নিয়ে এশিয়ান গেমসে এসেছেন। স্বর্ণ পদকের লড়াইয়ের সহজ সুযোগ নিজেরাই হাতে ধরে নষ্ট করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

ম্যাচ হেরে স্বর্ণ জয়ের স্বপ্নটা ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। এশিয়ান গেমসে ২২টি খেলায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ একমাত্র ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন ছিল। এই খেলাটি ২০১০ সালে দেশের জন্য স্বর্ণ পদক এনেছিল। এবারও স্বর্ণ জয়ের লড়াই করবে। সেমিফাইনালের ম্যাচটা দেখতে গতকাল খুব সকালে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৬ হাজার ইয়েন খরচ করে টিকিট কিনে করোগি স্পোর্টস পার্কে হাজির হয়ে হয়েছিলেন। কিন্তু তারা খেলা দেখতে এসে শুধু হতাশই হননি, রীতিমত গালমন্দ করে গেছেন। মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সমালোচনা করেছেন। প্রশ্ন তুলে গেছেন ক্রিকেটারদের দায়িত্ব বোধ নিয়ে। দর্শকের সমালোচনায় কিছু যায় আসে না ক্রিকেটারদের।

খেলা শেষে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাস সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে এসে ক্ষিপ্ত। কথা বলার ঢং দেখে সাংবাদিকরা হতাশ। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটা ছেড়ে দিয়ে এসেও তার ভেতরে কোনো অনুশোচনা নেই। প্রশ্নের জবাবে ক্ষিপ্ত হয়ে যান। কাটার মাস্টার খ্যাত মোস্তাফিজুর রহমান যখন প্রথম ওভারে ১৮ রান দিয়েছেন কেনই বা তাকে পুনরায় দ্বিতীয় ওভার করতে দেওয়া হলো। এ কথার সঙ্গে সঙ্গে লিটন যেন ক্ষেপে আগুন। তার ভেতরে ফুসে উঠল। ‘ছিল মোস্তাফিজ যদি ৩ উইকেট পেতেন আপনি একথা বলতেন না-লিটন দাসের জবাব।

আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন মোস্তাফিজকে বোলিং না দিয়ে মোসাদ্দেককে দেওয়া যেতো কিনা? লিটন দাসের কণ্ঠে প্রতিবাদের আগুন। এবার বললেন, ‘অনেকেই ছিল। আমার কাছে বেষ্ট অপশন মনে হয়েছে আমি করেছি। আপনার কাছে যদি কখনো মনে হয় অন্য অপশন ইজ বেস্ট আপনি করবেন।’ একথা শুনে সংবাদমাধ্যম হতবাক। প্রশ্নের জবাব এমন হবে তা কল্পনা করেননি সাংবাদিকরা। রীতিমতো বিব্রত।

লিটনের দম্ভ শুধু এখানেই থেমে থাকেনি। ২০১০ সালে স্বর্ণ জয়ের মাঝে দেড় যুগ কেটে গেছে। আরও বদলেছে ক্রিকেট। ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা আরও বেড়েছে। অর্থ, বিত্ত, বাড়ি, গাড়ি সবই হয়েছে। দেশকে কতটা দিতে পারছেন তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। পাকিস্তানের কাছে হেরে লিটন দাস বললেন, ‘এশিয়ান গেমসের স্বর্ণ জয়ে আমরা চেষ্টা করেছি, চেষ্টা করেই যাব। ভবিষ্যতে কোনো না কোনো টিম আসবে, তারাও চেষ্টা করবে। যখন কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকবে তখন কিছু করার থাকে না।’

লিটনের কাছে মনে হয়েছে তারা জাপানে গিয়ে বৃষ্টির কারণে মাঠে নামতে পারেননি বলে সমস্যা হয়েছে। ‘আমরা অনেক দিন ধরে বসা, এটা খুব ইজি না যে অনেক দিন বসে থাকবেন, তারপর অসাধারণ কিছু করে ফেলবেন। বাট ক্রেডিট দিতে হয় হৃদয়কে। সে আমাদেরকে কামব্যাক করিয়েছে।’ লিটনের কথা হচ্ছে তারা অনেক দিন অনুশীলন করতে পারেননি। ক্রিকেট পিচ সম্পর্কে জানা ছিল না। কোনো গেম দেখিনি, অনুশীলনও করিনি। আমরা খেলেছি আইডিয়া ছাড়া।’ 

পাকিস্তানও তো অনুশীলন করতে পারেনি। তারা কীভাবে ভালো খেলল, ম্যাচ জিতল। লিটনের জবাব, ‘পাকিস্তান তো ব্যাট করেনি। টস ব্যবধান করে দিয়েছে।’ এসব অজুহাত দিয়ে লিটন চলে গেলেন টিম বাসে উঠতে। জাপানি স্বেচ্ছাসেবকরা তাদেরকে হাততালি দিয়ে বাসে ওয়েলকাম করেছে।

বৃষ্টির কারণে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের খেলা মাঠেই গড়াচ্ছিল না। না খেলেই সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছিল দলগুলো। গতকালই প্রথম মাঠে নামলেন ক্রিকেটাররা। প্রথম সেমিফাইনালে নেমেও পুরো ২০ ওভার খেলা হয়নি। কারণ পরশু রাতেও বৃষ্টি হয়েছে। আউট ফিল্ড ছিল ভেজা। গতকাল সকালে কড়া রোদ ওঠায় মাঠে শুকাতে সময় লেগেছে। তাই টি-টোয়েন্টি ফরমেটের ম্যাচটা ২০ ওভার থেকে কমিয়ে ১৩ ওভার করা হয়েছিল। 

পাকিস্তানের কাছে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে সাইফ হাসান ১৯, তানজিদ হাসান ৭, পারভেজ ইমন ১, তাওহীদ হৃদয় ৪২ রান করেন। অধিনায়ক লিটন দাস ক্রিজে গেলেন, ক্রিজ থেকে আবার ফিরলেন, চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে ফিরেই আউট। ৩ বলে দুই রান করে বোল্ড হন লিটন। এর পরও চড়া গলায় কথা বলছেন। লজ্জাজনক, পাকিস্তান সবচেয়ে দুর্বল দল নিয়ে ম্যাচ জিততে পুরো ১৩ ওভার খেলতে হয়নি। ৯ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান। ফাইনাল খেলবে ভারতের বিপক্ষে। বাংলাদেশ এখন ব্রোঞ্জের লড়াই করবে। ভারত হারিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে বাজারে মজুত ডিজেল ছাড়তে যাচ্ছে ইউরোপ

ফের হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও আঘাতের পরিকল্পনা ইরানের

০২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

লজ্জার হারেও লিটনের দম্ভ

আপডেটের সময় : ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ওঠার সুযোগ পেয়েও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ম্যাচটা যেন গলা টিপে হত্যা করেছে। নিশ্চিত জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া ম্যাচে বোলার মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্বল বোলিংয়ে ৬ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশের বিপক্ষে (১১১/৭) ম্যাচ জিততে ১১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নিজেরাই বুঝতে পারছিল ম্যাচ জেতা সম্ভব না। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমানের দুই দুটি ওভারে ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। পাকিস্তানের হাসান নেওয়াজ এবং আব্দুল সামাদ বাংলাদেশের বোলিং দেখে সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন পাকিস্তানের জুটি। 

মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম ওভারে ১৮ রান দিয়েছেন। দ্বিতীয় ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান ২৩ রান দিয়েছেন। নিশিন করোগি স্পোর্টস পার্কে পাকিস্তান খুব সহজেই ৬ উইকেটে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। পাকিস্তান জানিয়েছে তারা মাত্র দুজন সিনিয়র খেলোয়াড় নিয়ে এশিয়ান গেমসে এসেছেন। স্বর্ণ পদকের লড়াইয়ের সহজ সুযোগ নিজেরাই হাতে ধরে নষ্ট করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

ম্যাচ হেরে স্বর্ণ জয়ের স্বপ্নটা ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। এশিয়ান গেমসে ২২টি খেলায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ একমাত্র ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন ছিল। এই খেলাটি ২০১০ সালে দেশের জন্য স্বর্ণ পদক এনেছিল। এবারও স্বর্ণ জয়ের লড়াই করবে। সেমিফাইনালের ম্যাচটা দেখতে গতকাল খুব সকালে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৬ হাজার ইয়েন খরচ করে টিকিট কিনে করোগি স্পোর্টস পার্কে হাজির হয়ে হয়েছিলেন। কিন্তু তারা খেলা দেখতে এসে শুধু হতাশই হননি, রীতিমত গালমন্দ করে গেছেন। মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সমালোচনা করেছেন। প্রশ্ন তুলে গেছেন ক্রিকেটারদের দায়িত্ব বোধ নিয়ে। দর্শকের সমালোচনায় কিছু যায় আসে না ক্রিকেটারদের।

খেলা শেষে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাস সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে এসে ক্ষিপ্ত। কথা বলার ঢং দেখে সাংবাদিকরা হতাশ। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটা ছেড়ে দিয়ে এসেও তার ভেতরে কোনো অনুশোচনা নেই। প্রশ্নের জবাবে ক্ষিপ্ত হয়ে যান। কাটার মাস্টার খ্যাত মোস্তাফিজুর রহমান যখন প্রথম ওভারে ১৮ রান দিয়েছেন কেনই বা তাকে পুনরায় দ্বিতীয় ওভার করতে দেওয়া হলো। এ কথার সঙ্গে সঙ্গে লিটন যেন ক্ষেপে আগুন। তার ভেতরে ফুসে উঠল। ‘ছিল মোস্তাফিজ যদি ৩ উইকেট পেতেন আপনি একথা বলতেন না-লিটন দাসের জবাব।

আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন মোস্তাফিজকে বোলিং না দিয়ে মোসাদ্দেককে দেওয়া যেতো কিনা? লিটন দাসের কণ্ঠে প্রতিবাদের আগুন। এবার বললেন, ‘অনেকেই ছিল। আমার কাছে বেষ্ট অপশন মনে হয়েছে আমি করেছি। আপনার কাছে যদি কখনো মনে হয় অন্য অপশন ইজ বেস্ট আপনি করবেন।’ একথা শুনে সংবাদমাধ্যম হতবাক। প্রশ্নের জবাব এমন হবে তা কল্পনা করেননি সাংবাদিকরা। রীতিমতো বিব্রত।

লিটনের দম্ভ শুধু এখানেই থেমে থাকেনি। ২০১০ সালে স্বর্ণ জয়ের মাঝে দেড় যুগ কেটে গেছে। আরও বদলেছে ক্রিকেট। ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা আরও বেড়েছে। অর্থ, বিত্ত, বাড়ি, গাড়ি সবই হয়েছে। দেশকে কতটা দিতে পারছেন তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। পাকিস্তানের কাছে হেরে লিটন দাস বললেন, ‘এশিয়ান গেমসের স্বর্ণ জয়ে আমরা চেষ্টা করেছি, চেষ্টা করেই যাব। ভবিষ্যতে কোনো না কোনো টিম আসবে, তারাও চেষ্টা করবে। যখন কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকবে তখন কিছু করার থাকে না।’

লিটনের কাছে মনে হয়েছে তারা জাপানে গিয়ে বৃষ্টির কারণে মাঠে নামতে পারেননি বলে সমস্যা হয়েছে। ‘আমরা অনেক দিন ধরে বসা, এটা খুব ইজি না যে অনেক দিন বসে থাকবেন, তারপর অসাধারণ কিছু করে ফেলবেন। বাট ক্রেডিট দিতে হয় হৃদয়কে। সে আমাদেরকে কামব্যাক করিয়েছে।’ লিটনের কথা হচ্ছে তারা অনেক দিন অনুশীলন করতে পারেননি। ক্রিকেট পিচ সম্পর্কে জানা ছিল না। কোনো গেম দেখিনি, অনুশীলনও করিনি। আমরা খেলেছি আইডিয়া ছাড়া।’ 

পাকিস্তানও তো অনুশীলন করতে পারেনি। তারা কীভাবে ভালো খেলল, ম্যাচ জিতল। লিটনের জবাব, ‘পাকিস্তান তো ব্যাট করেনি। টস ব্যবধান করে দিয়েছে।’ এসব অজুহাত দিয়ে লিটন চলে গেলেন টিম বাসে উঠতে। জাপানি স্বেচ্ছাসেবকরা তাদেরকে হাততালি দিয়ে বাসে ওয়েলকাম করেছে।

বৃষ্টির কারণে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের খেলা মাঠেই গড়াচ্ছিল না। না খেলেই সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছিল দলগুলো। গতকালই প্রথম মাঠে নামলেন ক্রিকেটাররা। প্রথম সেমিফাইনালে নেমেও পুরো ২০ ওভার খেলা হয়নি। কারণ পরশু রাতেও বৃষ্টি হয়েছে। আউট ফিল্ড ছিল ভেজা। গতকাল সকালে কড়া রোদ ওঠায় মাঠে শুকাতে সময় লেগেছে। তাই টি-টোয়েন্টি ফরমেটের ম্যাচটা ২০ ওভার থেকে কমিয়ে ১৩ ওভার করা হয়েছিল। 

পাকিস্তানের কাছে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে সাইফ হাসান ১৯, তানজিদ হাসান ৭, পারভেজ ইমন ১, তাওহীদ হৃদয় ৪২ রান করেন। অধিনায়ক লিটন দাস ক্রিজে গেলেন, ক্রিজ থেকে আবার ফিরলেন, চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে ফিরেই আউট। ৩ বলে দুই রান করে বোল্ড হন লিটন। এর পরও চড়া গলায় কথা বলছেন। লজ্জাজনক, পাকিস্তান সবচেয়ে দুর্বল দল নিয়ে ম্যাচ জিততে পুরো ১৩ ওভার খেলতে হয়নি। ৯ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান। ফাইনাল খেলবে ভারতের বিপক্ষে। বাংলাদেশ এখন ব্রোঞ্জের লড়াই করবে। ভারত হারিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে।

Share this news as a Photo Card