নিউইয়র্ক ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিএনজি ফিলিং স্টেশন ৩০ জুলাই বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার

  • আপডেটের সময় : ০৬:৪২:০৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ২৭ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি এলএনজি টার্মিনালে আগুন লেগে গ্যাসের সংকট তৈরি হওয়ায় প্রেক্ষাপটে তারা ৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে।

দেশে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। গত মঙ্গলবার আগুন লেগে একটি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দেশে গ্যাসের সংকট বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেছেন, চলমান গ্যাস–সংকটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের পাশাপাশি সরকারকে সহযোগিতার কথা ভেবে তারা কর্মসূচিটি ৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচিটি প্রত্যাহার করেছেন। তবে দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের কর্মসূচি বহাল থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, ‘আমরা জনদুর্ভোগ বাড়াতে চাই না। মহেশখালীতে সৃষ্ট সমস্যায় দেশজুড়ে ইতিমধ্যে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটছে। কাজেই আমাদের কর্মসূচি নতুন করে সমস্যা বাড়াক, সেটা আমরা চাই না।’

সংগঠনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, খাতটিতে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা আছে। তাঁরা সরকারের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু গতানুগতিক আশ্বাস ছাড়া তাঁরা সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান পাননি।

সংগঠনটির নেতারা বলছেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রাংশের দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জমির ইজারা ফি, বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স ফি বহুগুণ বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে সিএনজি ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা চায়, প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করা হোক।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

সিএনজি ফিলিং স্টেশন ৩০ জুলাই বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার

আপডেটের সময় : ০৬:৪২:০৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি এলএনজি টার্মিনালে আগুন লেগে গ্যাসের সংকট তৈরি হওয়ায় প্রেক্ষাপটে তারা ৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে।

দেশে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। গত মঙ্গলবার আগুন লেগে একটি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দেশে গ্যাসের সংকট বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেছেন, চলমান গ্যাস–সংকটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের পাশাপাশি সরকারকে সহযোগিতার কথা ভেবে তারা কর্মসূচিটি ৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচিটি প্রত্যাহার করেছেন। তবে দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের কর্মসূচি বহাল থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, ‘আমরা জনদুর্ভোগ বাড়াতে চাই না। মহেশখালীতে সৃষ্ট সমস্যায় দেশজুড়ে ইতিমধ্যে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটছে। কাজেই আমাদের কর্মসূচি নতুন করে সমস্যা বাড়াক, সেটা আমরা চাই না।’

সংগঠনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, খাতটিতে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা আছে। তাঁরা সরকারের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু গতানুগতিক আশ্বাস ছাড়া তাঁরা সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান পাননি।

সংগঠনটির নেতারা বলছেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রাংশের দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জমির ইজারা ফি, বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স ফি বহুগুণ বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে সিএনজি ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা চায়, প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করা হোক।

Share this news as a Photo Card