নিউইয়র্ক ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৭১ চিকিৎসকের বিপরীতে আছেন মাত্র ২০ জন, সংকটে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল

  • আপডেটের সময় : ০৮:৫৭:০২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ১০ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

উত্তরের দরিদ্র জেলা কুড়িগ্রামের প্রায় ২০ লাখ মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল। কিন্তু চিকিৎসক, নার্স, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকটে হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় প্রতিদিন শত শত রোগীকে দীর্ঘ অপেক্ষা, সীমিত চিকিৎসাসেবা এবং নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৮ সালে ৫০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করা হাসপাতালটি পরে ১০০ শয্যায় উন্নীত হয়। ২০১৭ সালে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত হলেও সেই অনুযায়ী জনবল বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে ৩৭১ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২০ জন। একইভাবে ৩৪০ জন নার্সের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ১৬০ জন, যা কার্যত ১০০ শয্যার হাসপাতালের জনবলের সমান।

চিকিৎসক সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসায়। প্রতিদিন গড়ে ৫০০ জনের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। কিন্তু সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক দিয়ে ওয়ার্ডে দিনে একবারের বেশি রোগী দেখা সম্ভব হয় না। দুপুরের পর ভর্তি হওয়া রোগীদের অনেক সময় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের জন্য অপেক্ষা করতে হয় পরদিন পর্যন্ত। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন তাৎক্ষণিকভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক রোগীর মূল চিকিৎসা শুরু হতে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হয়।

অন্যদিকে বহির্বিভাগেও প্রতিদিন গড়ে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। সীমিত জনবল নিয়ে এই বিপুল সংখ্যক রোগী সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগেও রয়েছে বড় ধরনের শূন্যতা। মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও কার্ডিওলজি বিভাগে কোনো সিনিয়র কনসালটেন্ট নেই। অ্যানেসথেসিয়া ও অর্থোপেডিক সার্জারিসহ সিনিয়র কনসালট্যান্টের আটটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। জুনিয়র কনসালট্যান্টের ১২টি পদের মধ্যে ছয়টি খালি রয়েছে। এছাড়া মেডিকেল অফিসার, ইনডোর মেডিকেল অফিসার, রেজিস্ট্রার ও সহকারী রেজিস্ট্রারের একাধিক পদেও কেউ নেই। চিকিৎসক না থাকায় হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের সেবা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

অবকাঠামোগত সংকটও কম নয়। পুরোনো ভবনের পাশে আটতলা নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও সেখানে এখনো আইসিইউ ও নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ) চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংকটাপন্ন রোগীদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হচ্ছে। এতে পথেই অনেক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

হাসপাতালের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জামও দীর্ঘদিন ধরে অকেজো পড়ে আছে। ইকোকার্ডিওগ্রাম, এন্ডোস্কপি ও ল্যাপারোস্কপি মেশিন কয়েক বছর ধরে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। অপারেশন যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য আধুনিক অটোক্লেভ না থাকায় পুরোনো একটি ছোট যন্ত্র দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ছয়টি ইসিজি মেশিনের মধ্যে রয়েছে মাত্র তিনটি। দুটি এক্স-রে ও দুটি আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষিত জনবল রয়েছেন মাত্র একজন।

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সংকটও হাসপাতালের সেবাকে আরও দুর্বল করে তুলেছে। আয়া, ওয়ার্ডবয়, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মীর বহু পদ শূন্য রয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন নিয়োগও আটকে আছে। ২৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অন্তত ১৫০ জন কর্মী প্রয়োজন হলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৪৭ জন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য ৩৭১ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ থাকলেও বর্তমানে আছেন মাত্র ২০ জন। এই অল্পসংখ্যক চিকিৎসক দিয়েই প্রতিদিন গড়ে ৫০০ ভর্তি রোগী এবং বহির্বিভাগের বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে। সীমিত জনবল নিয়েই সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও এখনো প্রয়োজনীয় জনবল পাওয়া যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, পুরোনো ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রোগীর চাপের কারণে সেখানে সেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। নতুন ভবনটি আইসিইউ পরিচালনার উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়নি। সেখানে অপারেশনের পর রোগীদের নিবিড় পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবলও নেই।

বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের কুড়িগ্রাম জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার অভাবে জেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি দ্রুত শূন্য পদে চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ, অকেজো চিকিৎসা সরঞ্জাম সচল করা এবং আইসিইউ, এনআইসিইউসহ বিশেষায়িত সেবা চালুর জন্য সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৩৮ বছর পর ফোন করে নিজের দোষ স্বীকার করল খুনি, জট খুলছে রহস্যজনক খুনের

ফিলিস্তিনিদের উৎপাদিত পণ্য অবৈধভাবে ইউরোপে পাচার করছে ইসরায়েল

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

৩৭১ চিকিৎসকের বিপরীতে আছেন মাত্র ২০ জন, সংকটে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল

আপডেটের সময় : ০৮:৫৭:০২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

উত্তরের দরিদ্র জেলা কুড়িগ্রামের প্রায় ২০ লাখ মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল। কিন্তু চিকিৎসক, নার্স, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকটে হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় প্রতিদিন শত শত রোগীকে দীর্ঘ অপেক্ষা, সীমিত চিকিৎসাসেবা এবং নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৮ সালে ৫০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করা হাসপাতালটি পরে ১০০ শয্যায় উন্নীত হয়। ২০১৭ সালে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত হলেও সেই অনুযায়ী জনবল বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে ৩৭১ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২০ জন। একইভাবে ৩৪০ জন নার্সের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ১৬০ জন, যা কার্যত ১০০ শয্যার হাসপাতালের জনবলের সমান।

চিকিৎসক সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসায়। প্রতিদিন গড়ে ৫০০ জনের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। কিন্তু সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক দিয়ে ওয়ার্ডে দিনে একবারের বেশি রোগী দেখা সম্ভব হয় না। দুপুরের পর ভর্তি হওয়া রোগীদের অনেক সময় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের জন্য অপেক্ষা করতে হয় পরদিন পর্যন্ত। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন তাৎক্ষণিকভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক রোগীর মূল চিকিৎসা শুরু হতে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হয়।

অন্যদিকে বহির্বিভাগেও প্রতিদিন গড়ে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। সীমিত জনবল নিয়ে এই বিপুল সংখ্যক রোগী সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগেও রয়েছে বড় ধরনের শূন্যতা। মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও কার্ডিওলজি বিভাগে কোনো সিনিয়র কনসালটেন্ট নেই। অ্যানেসথেসিয়া ও অর্থোপেডিক সার্জারিসহ সিনিয়র কনসালট্যান্টের আটটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। জুনিয়র কনসালট্যান্টের ১২টি পদের মধ্যে ছয়টি খালি রয়েছে। এছাড়া মেডিকেল অফিসার, ইনডোর মেডিকেল অফিসার, রেজিস্ট্রার ও সহকারী রেজিস্ট্রারের একাধিক পদেও কেউ নেই। চিকিৎসক না থাকায় হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের সেবা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

অবকাঠামোগত সংকটও কম নয়। পুরোনো ভবনের পাশে আটতলা নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও সেখানে এখনো আইসিইউ ও নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ) চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংকটাপন্ন রোগীদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হচ্ছে। এতে পথেই অনেক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

হাসপাতালের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জামও দীর্ঘদিন ধরে অকেজো পড়ে আছে। ইকোকার্ডিওগ্রাম, এন্ডোস্কপি ও ল্যাপারোস্কপি মেশিন কয়েক বছর ধরে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। অপারেশন যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য আধুনিক অটোক্লেভ না থাকায় পুরোনো একটি ছোট যন্ত্র দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ছয়টি ইসিজি মেশিনের মধ্যে রয়েছে মাত্র তিনটি। দুটি এক্স-রে ও দুটি আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষিত জনবল রয়েছেন মাত্র একজন।

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সংকটও হাসপাতালের সেবাকে আরও দুর্বল করে তুলেছে। আয়া, ওয়ার্ডবয়, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মীর বহু পদ শূন্য রয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন নিয়োগও আটকে আছে। ২৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অন্তত ১৫০ জন কর্মী প্রয়োজন হলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৪৭ জন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য ৩৭১ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ থাকলেও বর্তমানে আছেন মাত্র ২০ জন। এই অল্পসংখ্যক চিকিৎসক দিয়েই প্রতিদিন গড়ে ৫০০ ভর্তি রোগী এবং বহির্বিভাগের বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে। সীমিত জনবল নিয়েই সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও এখনো প্রয়োজনীয় জনবল পাওয়া যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, পুরোনো ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রোগীর চাপের কারণে সেখানে সেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। নতুন ভবনটি আইসিইউ পরিচালনার উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়নি। সেখানে অপারেশনের পর রোগীদের নিবিড় পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবলও নেই।

বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের কুড়িগ্রাম জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার অভাবে জেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি দ্রুত শূন্য পদে চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ, অকেজো চিকিৎসা সরঞ্জাম সচল করা এবং আইসিইউ, এনআইসিইউসহ বিশেষায়িত সেবা চালুর জন্য সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

Share this news as a Photo Card