নিউইয়র্ক ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী আরও বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ: পাকিস্তান

  • আপডেটের সময় : ০১:৩২:১৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আরও অন্তত ছয় থেকে সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বর্তমানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পানিস্তান এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দেশগুলোর শীর্ষ কূটনীতিকদের বৈঠক শুরুর আগে এ তথ্য জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে যুক্তরাজ্যে দেওয়া বক্তব্যে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানান, আগ্রহী অন্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তি সহজ করার লক্ষ্যে কর্মকর্তারা একটি খসড়া চুক্তির কাঠামো (এগ্রিমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক) নিয়ে কাজ করছেন। তবে সম্ভাব্য দেশগুলোর নাম সুনির্দিষ্ট করে প্রকাশ করেননি তিনি।

গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই ‘মক্কা চুক্তি’তে যোগদানে আগ্রহ দেখানো সর্বশেষ দেশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হলে—তা বাকি দুই দেশের ওপরও আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, মিসরসহ আঞ্চলিক অন্যান্য রাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করে এই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোট আরও প্রসারিত করা হতে পারে।

ব্লুমবার্গ জানায়, চুক্তির আওতায় গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকে অংশ নিতে ইস্তাম্বুলে রয়েছেন ইসহাক দার। সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও এতে অংশ নিচ্ছেন। বৈঠকে তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর প্রধানদেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। 

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। চুক্তির আওতায় কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য একটি সচিবালয়ের কাঠামোও নির্ধারণ করা হতে পারে। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পাকিস্তান।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী আরও বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ: পাকিস্তান

আপডেটের সময় : ০১:৩২:১৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আরও অন্তত ছয় থেকে সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বর্তমানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পানিস্তান এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দেশগুলোর শীর্ষ কূটনীতিকদের বৈঠক শুরুর আগে এ তথ্য জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে যুক্তরাজ্যে দেওয়া বক্তব্যে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানান, আগ্রহী অন্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তি সহজ করার লক্ষ্যে কর্মকর্তারা একটি খসড়া চুক্তির কাঠামো (এগ্রিমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক) নিয়ে কাজ করছেন। তবে সম্ভাব্য দেশগুলোর নাম সুনির্দিষ্ট করে প্রকাশ করেননি তিনি।

গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই ‘মক্কা চুক্তি’তে যোগদানে আগ্রহ দেখানো সর্বশেষ দেশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হলে—তা বাকি দুই দেশের ওপরও আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, মিসরসহ আঞ্চলিক অন্যান্য রাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করে এই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোট আরও প্রসারিত করা হতে পারে।

ব্লুমবার্গ জানায়, চুক্তির আওতায় গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকে অংশ নিতে ইস্তাম্বুলে রয়েছেন ইসহাক দার। সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও এতে অংশ নিচ্ছেন। বৈঠকে তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর প্রধানদেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। 

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। চুক্তির আওতায় কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য একটি সচিবালয়ের কাঠামোও নির্ধারণ করা হতে পারে। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পাকিস্তান।

Share this news as a Photo Card