নিউইয়র্ক ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র‍্যাব বিলুপ্ত করে নতুন প্রতিষ্ঠান করা মানে নতুন মোড়কে র‍্যাবকে নিয়ে আসা: নাহিদ

  • আপডেটের সময় : ১০:১৩:২৪ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাব বিলুপ্ত করে তার জনবল দিয়েই আবার এসআরবি প্রতিষ্ঠা করা- এটা নতুন মোড়কে র‍্যাবকে নিয়ে আসা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ বিল উত্থাপনকালে বিরোধিতা করে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে র‍্যাব গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’-এর সঙ্গে জড়িত ছিল। সংসদে এমন অনেক সদস্য রয়েছেন, যাদের আয়নাঘরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে র‍্যাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ১১ দলসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রতিশ্রুতি ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করার। নির্বাচনের আগেও বর্তমান সরকারি দল বিএনপি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে র‍্যাব বিলুপ্ত করার কথা জানিয়েছিল। ফ্যাসিবাদী সময়েও তারা বারবার বলেছে যে র‍্যাব বিলুপ্ত করবে। তখন কিন্তু তারা বলেনি যে র‍্যাব বিলুপ্ত করে র‍্যাবের মধ্যে আরেকটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসবে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘র‍্যাবে বিভিন্ন সময়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তার অভিযোগ, সামরিক বাহিনী ও পুলিশ- দুই প্রতিষ্ঠানকেই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করে নিপীড়নের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত করার বিষয়ে জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল থেকে সুপারিশ এসেছে। পুলিশের জন্য এ ধরনের বিশেষায়িত ইউনিট আদৌ প্রয়োজন কি না, সেটিও তখন প্রশ্নের মুখে পড়েছিল।’

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, এটা ফ্যাসিবাদী সময়ের একটা দাগ, একটা ক্ষতচিহ্ন, একটা আতঙ্ক, ফ্যাসিবাদের একটা চিহ্ন হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান। তাই এটা প্রথমে বিলুপ্ত করা হোক।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, পুলিশের বিশেষায়িত কোনো ইউনিট যদি প্রয়োজন হয়, সেটা নিয়ে সংসদে বিশদ আলোচনার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়ে আলোচনা করে তারপরে এ ধরনের বিল উনি আনতে পারেন। তার আগ পর্যন্ত না।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

র‍্যাব বিলুপ্ত করে নতুন প্রতিষ্ঠান করা মানে নতুন মোড়কে র‍্যাবকে নিয়ে আসা: নাহিদ

আপডেটের সময় : ১০:১৩:২৪ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‍্যাব বিলুপ্ত করে তার জনবল দিয়েই আবার এসআরবি প্রতিষ্ঠা করা- এটা নতুন মোড়কে র‍্যাবকে নিয়ে আসা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ বিল উত্থাপনকালে বিরোধিতা করে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে র‍্যাব গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’-এর সঙ্গে জড়িত ছিল। সংসদে এমন অনেক সদস্য রয়েছেন, যাদের আয়নাঘরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে র‍্যাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ১১ দলসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রতিশ্রুতি ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করার। নির্বাচনের আগেও বর্তমান সরকারি দল বিএনপি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে র‍্যাব বিলুপ্ত করার কথা জানিয়েছিল। ফ্যাসিবাদী সময়েও তারা বারবার বলেছে যে র‍্যাব বিলুপ্ত করবে। তখন কিন্তু তারা বলেনি যে র‍্যাব বিলুপ্ত করে র‍্যাবের মধ্যে আরেকটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসবে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘র‍্যাবে বিভিন্ন সময়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তার অভিযোগ, সামরিক বাহিনী ও পুলিশ- দুই প্রতিষ্ঠানকেই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করে নিপীড়নের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত করার বিষয়ে জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল থেকে সুপারিশ এসেছে। পুলিশের জন্য এ ধরনের বিশেষায়িত ইউনিট আদৌ প্রয়োজন কি না, সেটিও তখন প্রশ্নের মুখে পড়েছিল।’

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, এটা ফ্যাসিবাদী সময়ের একটা দাগ, একটা ক্ষতচিহ্ন, একটা আতঙ্ক, ফ্যাসিবাদের একটা চিহ্ন হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান। তাই এটা প্রথমে বিলুপ্ত করা হোক।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, পুলিশের বিশেষায়িত কোনো ইউনিট যদি প্রয়োজন হয়, সেটা নিয়ে সংসদে বিশদ আলোচনার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়ে আলোচনা করে তারপরে এ ধরনের বিল উনি আনতে পারেন। তার আগ পর্যন্ত না।

Share this news as a Photo Card