নিউইয়র্ক ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার মির্জা আব্বাস: রাশেদ খাঁন

  • আপডেটের সময় : ১০:১৪:৩২ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) কোনো স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার হয়েই তিনি এ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, উন্নত চিকিৎসার পরও মির্জা আব্বাস এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে কথা বলতে গিয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, যা পুরো সংসদকে স্তব্ধ করে দেয়। মির্জা আব্বাস বর্তমানে নিজে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না, দেখে পড়ার সময়ও কথা অস্পষ্ট শোনাচ্ছে এবং তার একটি হাত নাড়াতেও তীব্র কষ্ট হচ্ছে।

মির্জা আব্বাসের এই শারীরিক সংকটের নেপথ্যে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর আচরণকে দায়ী করে রাশেদ খাঁন লেখেন, নির্বাচনের আগে থেকেই বয়সে অনেক ছোট নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করতে হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। নির্বাচনের পরও তিনি সেই মানসিক নিপীড়ন থেকে রেহাই পাননি। এমনকি তিনি যখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন তার প্রতিকৃতি বানিয়ে বক্সিং বা আঘাত করার মতো কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করা হয়েছে।

সাধারণ অসুস্থতার জন্য কাউকে সরাসরি দায়ী করা না গেলেও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক নিপীড়নকে স্ট্রোকের বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সুসংগঠিত করা এবং বিগত ১৬ বছর বহুবার কারাবরণকারী এই প্রবীণ নেতাকে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ভিত্তিহীন অপবাদ দেওয়া হয়েছিল এবং হাসপাতালে তার ওপর হেনস্তা চালানো হয়েছিল।

বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ এসব অবিচার ও মিথ্যা অপবাদ মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, দীর্ঘদিনের তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে শেষ পর্যন্ত মির্জা আব্বাস স্ট্রোকের কবলে পড়েন এবং আজকের এই করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে তার এই অসুস্থতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত মানসিক অত্যাচারেরই প্রত্যক্ষ পরিণতি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

‘বসনিয়ার কসাইকে’ সামরিক মর্যাদা দিলো সার্বিয়া

দীর্ঘায়িত হচ্ছে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ, প্রস্তুতি চলছে ২০২৭ সালের

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার মির্জা আব্বাস: রাশেদ খাঁন

আপডেটের সময় : ১০:১৪:৩২ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) কোনো স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার হয়েই তিনি এ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, উন্নত চিকিৎসার পরও মির্জা আব্বাস এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে কথা বলতে গিয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, যা পুরো সংসদকে স্তব্ধ করে দেয়। মির্জা আব্বাস বর্তমানে নিজে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না, দেখে পড়ার সময়ও কথা অস্পষ্ট শোনাচ্ছে এবং তার একটি হাত নাড়াতেও তীব্র কষ্ট হচ্ছে।

মির্জা আব্বাসের এই শারীরিক সংকটের নেপথ্যে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর আচরণকে দায়ী করে রাশেদ খাঁন লেখেন, নির্বাচনের আগে থেকেই বয়সে অনেক ছোট নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করতে হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। নির্বাচনের পরও তিনি সেই মানসিক নিপীড়ন থেকে রেহাই পাননি। এমনকি তিনি যখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন তার প্রতিকৃতি বানিয়ে বক্সিং বা আঘাত করার মতো কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করা হয়েছে।

সাধারণ অসুস্থতার জন্য কাউকে সরাসরি দায়ী করা না গেলেও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক নিপীড়নকে স্ট্রোকের বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সুসংগঠিত করা এবং বিগত ১৬ বছর বহুবার কারাবরণকারী এই প্রবীণ নেতাকে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ভিত্তিহীন অপবাদ দেওয়া হয়েছিল এবং হাসপাতালে তার ওপর হেনস্তা চালানো হয়েছিল।

বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ এসব অবিচার ও মিথ্যা অপবাদ মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, দীর্ঘদিনের তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে শেষ পর্যন্ত মির্জা আব্বাস স্ট্রোকের কবলে পড়েন এবং আজকের এই করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে তার এই অসুস্থতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত মানসিক অত্যাচারেরই প্রত্যক্ষ পরিণতি।

Share this news as a Photo Card