নিউইয়র্ক ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বলিউডকে ‘ভেড়ার পাল’ বলে কারিনার কটাক্ষ

  • আপডেটের সময় : ০৩:০৮:১০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বলিউডে সময়টা এখন দারুণ কাটছে অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের। ২০২৩ সালে পর পর দুটি ভিন্নধর্মী ও শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকমহল এবং সিনেসমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নতুন করে নিজের জাত চেনানো এই তারকা এখন ব্যস্ত তার আগামী সিনেমা ‘দায়রা’র প্রচারণা নিয়ে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

এদিকে নিজের সিনেমা ‘দায়রা’র প্রচারে এসে ভাই রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর উদাহরণ টেনে বলিউডকে ‘ভেড়ার পালে’র সঙ্গে তুলনা করলেন তিনি।

তেইশ সাল থেকে গুটি গুটি পায়ে ‘আলফা মেল’ ট্রেন্ড ঢুকে পড়েছে হিন্দি সিনেদুনিয়ার পর্দায়। শাহরুখ খানের ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’, সানি দেওলের ‘গদর ২’, রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর মতো ছবিগুলি মারকাটারি অ্যাকশন আর স্টার পাওয়ারের সুবাদে বক্স অফিসে ছক্কা হাঁকিয়েছিল।

চব্বিশ-পঁচিশ সালেও একাধিক অ্যাকশন ছবি মুক্তি পেয়েছে। সেই ট্রেন্ড বহাল তবিয়তে জিইয়ে রেখেছেন ‘ধুরন্ধর’ ও ‘টক্সিক’ । ‘রোমিও’ ছবিতে শাহিদ কাপুরও খতরনাক অবতারে ধরা দিয়েছেন। বড়পর্দায় লার্জার দ্যান লাইফ প্রোটাগনিস্টের দৌরাত্ম্য, অ্যাকশনের মারপ্যাঁচের দিকেই দর্শকদের পাল্লা ভারী থেকেছে বিগত তিন বছরে।

সেই প্রেক্ষিতেই বর্তমানে প্রশ্ন উঠেছে, পর্দায় অতিরিক্ত হিংসা, রক্ত দেখানোর জন্য বলিউড কি নিজস্বতা হারিয়েছে? সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মুখ খুলেই বিস্ফোরক কারিনা কাপুর।

কারিনার মন্তব্য, ‘আমরা যতটা ভাবি, তার থেকেও দর্শক অনেক বেশি বুদ্ধিমান। কোনও সিনেমা ভালো হলে তারা সেটা ঠিকই বোঝেন এবং দেখতে চান। তাই এখন আর বিষয়টি শুধু রোমান্টিক প্রেমের গল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে তো আবার পর্দায় হিংসার রমরমা।’

তিনি আরও বলেন, ‘‘অ্যানিম্যাল’ হিট করেছে, তাই সবাই মিলে হিংসা-বিদ্বেষমূলক সিনেমা বানাচ্ছেন! এসব কনটেন্ট এখন সেকেলে হয়ে গিয়েছে। আসলে আমাদের মধ্যে সেই ‘ভেড়ার পালের মতো অন্ধ অনুকরণে’র প্রবণতা কাজ করে। আর কী-ই বা বলব?’

তার মতে, তবে এমন কিছু পরিচালকও রয়েছেন, যারা ভিন্নস্বাদের ছবি তৈরি করতে চান। পাশাপাশি দর্শকের মধ্যে নতুন চিন্তার খোরাকও জোগান। এদের একটা আলাদা নিজস্ব ভক্তকুল রয়েছে। আসলে যুগ বদলেছে। দর্শক এখন ট্রেলার দেখেই সিদ্ধান্ত নেয় সিনেমাটা দেখবে কিনা।’

সেকারণেই বেবোর মত, এখন নির্দিষ্ট কোনও ফর্মুলাভিত্তিক ছবির উপর নির্ভর করা কঠিন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতির দায়ে বাংলাদেশি নারীর কারাদণ্ড

শনিবার শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

বলিউডকে ‘ভেড়ার পাল’ বলে কারিনার কটাক্ষ

আপডেটের সময় : ০৩:০৮:১০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বলিউডে সময়টা এখন দারুণ কাটছে অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের। ২০২৩ সালে পর পর দুটি ভিন্নধর্মী ও শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকমহল এবং সিনেসমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নতুন করে নিজের জাত চেনানো এই তারকা এখন ব্যস্ত তার আগামী সিনেমা ‘দায়রা’র প্রচারণা নিয়ে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

এদিকে নিজের সিনেমা ‘দায়রা’র প্রচারে এসে ভাই রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর উদাহরণ টেনে বলিউডকে ‘ভেড়ার পালে’র সঙ্গে তুলনা করলেন তিনি।

তেইশ সাল থেকে গুটি গুটি পায়ে ‘আলফা মেল’ ট্রেন্ড ঢুকে পড়েছে হিন্দি সিনেদুনিয়ার পর্দায়। শাহরুখ খানের ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’, সানি দেওলের ‘গদর ২’, রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর মতো ছবিগুলি মারকাটারি অ্যাকশন আর স্টার পাওয়ারের সুবাদে বক্স অফিসে ছক্কা হাঁকিয়েছিল।

চব্বিশ-পঁচিশ সালেও একাধিক অ্যাকশন ছবি মুক্তি পেয়েছে। সেই ট্রেন্ড বহাল তবিয়তে জিইয়ে রেখেছেন ‘ধুরন্ধর’ ও ‘টক্সিক’ । ‘রোমিও’ ছবিতে শাহিদ কাপুরও খতরনাক অবতারে ধরা দিয়েছেন। বড়পর্দায় লার্জার দ্যান লাইফ প্রোটাগনিস্টের দৌরাত্ম্য, অ্যাকশনের মারপ্যাঁচের দিকেই দর্শকদের পাল্লা ভারী থেকেছে বিগত তিন বছরে।

সেই প্রেক্ষিতেই বর্তমানে প্রশ্ন উঠেছে, পর্দায় অতিরিক্ত হিংসা, রক্ত দেখানোর জন্য বলিউড কি নিজস্বতা হারিয়েছে? সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মুখ খুলেই বিস্ফোরক কারিনা কাপুর।

কারিনার মন্তব্য, ‘আমরা যতটা ভাবি, তার থেকেও দর্শক অনেক বেশি বুদ্ধিমান। কোনও সিনেমা ভালো হলে তারা সেটা ঠিকই বোঝেন এবং দেখতে চান। তাই এখন আর বিষয়টি শুধু রোমান্টিক প্রেমের গল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে তো আবার পর্দায় হিংসার রমরমা।’

তিনি আরও বলেন, ‘‘অ্যানিম্যাল’ হিট করেছে, তাই সবাই মিলে হিংসা-বিদ্বেষমূলক সিনেমা বানাচ্ছেন! এসব কনটেন্ট এখন সেকেলে হয়ে গিয়েছে। আসলে আমাদের মধ্যে সেই ‘ভেড়ার পালের মতো অন্ধ অনুকরণে’র প্রবণতা কাজ করে। আর কী-ই বা বলব?’

তার মতে, তবে এমন কিছু পরিচালকও রয়েছেন, যারা ভিন্নস্বাদের ছবি তৈরি করতে চান। পাশাপাশি দর্শকের মধ্যে নতুন চিন্তার খোরাকও জোগান। এদের একটা আলাদা নিজস্ব ভক্তকুল রয়েছে। আসলে যুগ বদলেছে। দর্শক এখন ট্রেলার দেখেই সিদ্ধান্ত নেয় সিনেমাটা দেখবে কিনা।’

সেকারণেই বেবোর মত, এখন নির্দিষ্ট কোনও ফর্মুলাভিত্তিক ছবির উপর নির্ভর করা কঠিন।

Share this news as a Photo Card