নিউইয়র্ক ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে হেরে পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টারসন

  • আপডেটের সময় : ০৩:৫২:২৪ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

সুইডেনের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোট পরাজিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন উলফ ক্রিস্টারসন। অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছে মধ্য-বামপন্থী বিরোধী জোট সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দুই জোটের মধ্যে ভোটের ব্যবধান প্রায় ৫০ হাজারে দাঁড়ায়। এর পর বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ক্রিস্টারসন।

পোস্টে তিনি বলেন, ‘নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার উদ্দেশ্যে আমি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিস্টারসনের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোটের প্রধান দল মডারেট পার্টিকে বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে আসছিল অভিবাসনবিরোধী দল সুইডেন ডেমোক্র্যাটস (এসডি)। নির্বাচনে জয়ী হলে দলটিকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন ক্রিস্টারসন।

তবে এবারের নির্বাচনে এসডির ভোটের হার কমেছে। ২০১০ সালে সুইডিশ সংসদে প্রবেশের পর এই প্রথম দলটির ভোট কমল। ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার দলটির সমর্থন প্রায় ৩ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।

অন্যদিকে নির্বাচনে জয়ের পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বক্তব্যে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস নেত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন বলেন, সুইডেনের জনগণ দেশের জন্য নতুন দিকনির্দেশনার পক্ষে স্পষ্ট রায় দিয়েছে। চার বছর বিরোধী দলে থাকার পর আবারও সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

সরকার গঠনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে লেফট পার্টি, সেন্টার পার্টি ও গ্রিন পার্টির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছেন অ্যান্ডারসন। তবে করনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে নতুন জোট সরকার গঠনে সময় লাগতে পারে।

সুইডেনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর রিক্সডাগের স্পিকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একজন প্রার্থীর নাম সংসদে প্রস্তাব করা হবে। সংসদে সেই প্রার্থীর ওপর ভোট হওয়ার পর পরবর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

নির্বাচনে হেরে পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টারসন

আপডেটের সময় : ০৩:৫২:২৪ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুইডেনের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোট পরাজিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন উলফ ক্রিস্টারসন। অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছে মধ্য-বামপন্থী বিরোধী জোট সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দুই জোটের মধ্যে ভোটের ব্যবধান প্রায় ৫০ হাজারে দাঁড়ায়। এর পর বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ক্রিস্টারসন।

পোস্টে তিনি বলেন, ‘নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার উদ্দেশ্যে আমি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিস্টারসনের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোটের প্রধান দল মডারেট পার্টিকে বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে আসছিল অভিবাসনবিরোধী দল সুইডেন ডেমোক্র্যাটস (এসডি)। নির্বাচনে জয়ী হলে দলটিকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন ক্রিস্টারসন।

তবে এবারের নির্বাচনে এসডির ভোটের হার কমেছে। ২০১০ সালে সুইডিশ সংসদে প্রবেশের পর এই প্রথম দলটির ভোট কমল। ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার দলটির সমর্থন প্রায় ৩ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।

অন্যদিকে নির্বাচনে জয়ের পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বক্তব্যে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস নেত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন বলেন, সুইডেনের জনগণ দেশের জন্য নতুন দিকনির্দেশনার পক্ষে স্পষ্ট রায় দিয়েছে। চার বছর বিরোধী দলে থাকার পর আবারও সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

সরকার গঠনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে লেফট পার্টি, সেন্টার পার্টি ও গ্রিন পার্টির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছেন অ্যান্ডারসন। তবে করনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে নতুন জোট সরকার গঠনে সময় লাগতে পারে।

সুইডেনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর রিক্সডাগের স্পিকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একজন প্রার্থীর নাম সংসদে প্রস্তাব করা হবে। সংসদে সেই প্রার্থীর ওপর ভোট হওয়ার পর পরবর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

Share this news as a Photo Card