নিউইয়র্ক ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : ০১:১২:২০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

সাভারের আশুলিয়ায় পরিচালনা পর্ষদের বিরোধ নিয়ে একটি মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুরে অবস্থিত তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

মাদ্রাসায় হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় বলে রাত ৯টার দিকে জানান আশুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।’

মাদ্রাসাটির উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদ বলেন, ‘ইমাম হাসান ও ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা করে।’

হামলাকারীরা অফিস কক্ষ ভাঙচুর এবং কম্পিউটার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

সানজিদ আরও বলেন, ‘ইমাম হাসান আমাদের মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেট জোর করে দখল করেছিলেন। সম্প্রতি তাকে সেখান থেকে বিতাড়িত করা হয়।’

বিএনপি নেতা জাকিরের নেতৃত্বে এর আগেও মাদ্রাসায় হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। এ বিষয়ে জানতে ইমাম হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঢাকা জেলা তাঁতী দলের সভাপতি জাকির হোসেন সানজিদের দাবিকেপ্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘সানজিদ একজন সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত। মাদ্রাসার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। সে জোরপূর্বক মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছে। তাই এলাকাবাসী আজ তাদের ওখান থেকে বিতাড়িত করেছে।’  

নিজেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদ ও দারুল এহসান ট্রাস্টের সদস্য দাবি করে জাকির জানান, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও তিনি একজন অভিভাবক।

জাকির বলেন, ‘পুলিশ আসার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অনুরোধ করে চলে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হলেও ওখানে আমি যেতে পারি না। দুই দিন পরপর আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনে সানজিদ। এর আগেও আমি সানজিদের নামে মামলা করেছি।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

আপডেটের সময় : ০১:১২:২০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাভারের আশুলিয়ায় পরিচালনা পর্ষদের বিরোধ নিয়ে একটি মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুরে অবস্থিত তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

মাদ্রাসায় হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় বলে রাত ৯টার দিকে জানান আশুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।’

মাদ্রাসাটির উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদ বলেন, ‘ইমাম হাসান ও ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা করে।’

হামলাকারীরা অফিস কক্ষ ভাঙচুর এবং কম্পিউটার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

সানজিদ আরও বলেন, ‘ইমাম হাসান আমাদের মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেট জোর করে দখল করেছিলেন। সম্প্রতি তাকে সেখান থেকে বিতাড়িত করা হয়।’

বিএনপি নেতা জাকিরের নেতৃত্বে এর আগেও মাদ্রাসায় হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। এ বিষয়ে জানতে ইমাম হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঢাকা জেলা তাঁতী দলের সভাপতি জাকির হোসেন সানজিদের দাবিকেপ্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘সানজিদ একজন সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত। মাদ্রাসার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। সে জোরপূর্বক মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছে। তাই এলাকাবাসী আজ তাদের ওখান থেকে বিতাড়িত করেছে।’  

নিজেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদ ও দারুল এহসান ট্রাস্টের সদস্য দাবি করে জাকির জানান, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও তিনি একজন অভিভাবক।

জাকির বলেন, ‘পুলিশ আসার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অনুরোধ করে চলে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হলেও ওখানে আমি যেতে পারি না। দুই দিন পরপর আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনে সানজিদ। এর আগেও আমি সানজিদের নামে মামলা করেছি।’

Share this news as a Photo Card