নিউইয়র্ক ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে ভবনধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

  • আপডেটের সময় : ০১:২৪:১২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

দিল্লিতে চারতলা আবাসিক ভবন ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও তল্লাশি চলছে। এই দুর্ঘটনায় আহত আরও আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে নিউ সীমাপুরির ঈদগাহ মাছলি মান্ডি এলাকার দুর্ঘটনাস্থল থেকে আরও একটি লাশ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা।

আহত আটজনকে উদ্ধার করে তাহিরপুরের রাজীব গান্ধী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোমিন মির্জা (৫৬), তিন বছর বয়সী এক শিশু, আবদুল রহমান (২৮), দেবরুদ্দিন (২৮), সালমা (৫০), ছোটে (৩৪), সাকিনা (৩৫) ও সামাদ (৩০)। এর আগে নিহতদের মধ্যে প্রায় ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে ছিল। তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

আরেক নিহতের পরিচয় গুলাফসা (২১) হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি প্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তৃতীয় নিহত শিশুটির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্যও এখনো জানা যায়নি। উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী যন্ত্রপাতি নেওয়া হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্স, দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

শাহদারা পুলিশের উপকমিশনার রাজেন্দ্র প্রসাদ মীনা জানান, ধসে পড়া ভবনটি চারতলা ছিল। সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে খবর পাই। এটি চারতলা ভবন। ভবনটির আয়তন ২৫ বর্গগজ। এখন পর্যন্ত সাতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আশঙ্কামুক্ত। উদ্ধার অভিযান চলছে। ঘটনাস্থলে সব সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত আছেন। অ্যাম্বুলেন্স ও দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ সবাই ঘটনাস্থলে আছেন।’

জ্যেষ্ঠ ফায়ার কর্মকর্তা মনীশ কুমার জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ন্ত্রণকক্ষ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে খবর পায়। বলা হচ্ছে, কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। উদ্ধার অভিযান চলছে।’

উত্তর-পূর্ব দিল্লির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অজয় কুমার জানান, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে চারতলা ভবনটি ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। অজয় কুমার বলেন, ‘বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে রাস্তার একেবারে কোণায় থাকা একটি চারতলা ভবন ধসে পড়ে। ভবনটি প্রায় ২২ থেকে ২৫ বর্গগজ জায়গাজুড়ে ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাশের ভবনটি ভাঙার কাজ চলছিল। সম্ভবত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে সেখানে কম্পন তৈরি হয়। সেই কম্পনের প্রভাবেই এই ভবনটি ধসে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই সময় ভবনের ভেতরে প্রায় সাত থেকে আটজন ছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে। আমরা জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের যন্ত্রপাতি ও সদস্যদের মোতায়েন করেছি। অন্য সংস্থাগুলোর সদস্যরাও কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত আটজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবনের ভেতরে আরও দুই থেকে তিনজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন।’

দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় গত ৬ সেপ্টেম্বর একটি ভবন ধসে সাতজন নিহত হওয়ার এক মাস পর এই ঘটনা ঘটল। সীমাপুরির ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। একাধিক সংস্থার সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে দেখছেন। আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা চলছে।

মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, সীমাপুরিতে মর্মান্তিক ভবন ধসের পর সেখানে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সেন্ট্রালাইজড অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ট্রমা সার্ভিস এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর দলকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও কর্মকর্তাকে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।‘ 

দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসাও জানান, সীমাপুরিতে ভবন ধসের পর ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চলছে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিরসা বলেন, ‘দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সেন্ট্রালাইজড অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ট্রমা সার্ভিস এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর দল ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে যুক্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চলছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নির্দেশে প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

পোস্টে বলা হয়, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী রেখা গুপ্তার নির্দেশে প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত সবাই যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, আমি ওয়াহেগুরুর কাছে সেই প্রার্থনা করছি।’

সূত্র: এএনআই নিউজ

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ভারতে ভবনধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

আপডেটের সময় : ০১:২৪:১২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে চারতলা আবাসিক ভবন ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও তল্লাশি চলছে। এই দুর্ঘটনায় আহত আরও আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে নিউ সীমাপুরির ঈদগাহ মাছলি মান্ডি এলাকার দুর্ঘটনাস্থল থেকে আরও একটি লাশ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা।

আহত আটজনকে উদ্ধার করে তাহিরপুরের রাজীব গান্ধী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোমিন মির্জা (৫৬), তিন বছর বয়সী এক শিশু, আবদুল রহমান (২৮), দেবরুদ্দিন (২৮), সালমা (৫০), ছোটে (৩৪), সাকিনা (৩৫) ও সামাদ (৩০)। এর আগে নিহতদের মধ্যে প্রায় ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে ছিল। তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

আরেক নিহতের পরিচয় গুলাফসা (২১) হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি প্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তৃতীয় নিহত শিশুটির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্যও এখনো জানা যায়নি। উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী যন্ত্রপাতি নেওয়া হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্স, দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

শাহদারা পুলিশের উপকমিশনার রাজেন্দ্র প্রসাদ মীনা জানান, ধসে পড়া ভবনটি চারতলা ছিল। সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে খবর পাই। এটি চারতলা ভবন। ভবনটির আয়তন ২৫ বর্গগজ। এখন পর্যন্ত সাতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আশঙ্কামুক্ত। উদ্ধার অভিযান চলছে। ঘটনাস্থলে সব সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত আছেন। অ্যাম্বুলেন্স ও দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ সবাই ঘটনাস্থলে আছেন।’

জ্যেষ্ঠ ফায়ার কর্মকর্তা মনীশ কুমার জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ন্ত্রণকক্ষ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে খবর পায়। বলা হচ্ছে, কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। উদ্ধার অভিযান চলছে।’

উত্তর-পূর্ব দিল্লির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অজয় কুমার জানান, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে চারতলা ভবনটি ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। অজয় কুমার বলেন, ‘বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে রাস্তার একেবারে কোণায় থাকা একটি চারতলা ভবন ধসে পড়ে। ভবনটি প্রায় ২২ থেকে ২৫ বর্গগজ জায়গাজুড়ে ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাশের ভবনটি ভাঙার কাজ চলছিল। সম্ভবত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে সেখানে কম্পন তৈরি হয়। সেই কম্পনের প্রভাবেই এই ভবনটি ধসে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই সময় ভবনের ভেতরে প্রায় সাত থেকে আটজন ছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে। আমরা জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের যন্ত্রপাতি ও সদস্যদের মোতায়েন করেছি। অন্য সংস্থাগুলোর সদস্যরাও কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত আটজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবনের ভেতরে আরও দুই থেকে তিনজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন।’

দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় গত ৬ সেপ্টেম্বর একটি ভবন ধসে সাতজন নিহত হওয়ার এক মাস পর এই ঘটনা ঘটল। সীমাপুরির ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। একাধিক সংস্থার সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে দেখছেন। আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা চলছে।

মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, সীমাপুরিতে মর্মান্তিক ভবন ধসের পর সেখানে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সেন্ট্রালাইজড অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ট্রমা সার্ভিস এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর দলকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও কর্মকর্তাকে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।‘ 

দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসাও জানান, সীমাপুরিতে ভবন ধসের পর ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চলছে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিরসা বলেন, ‘দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সেন্ট্রালাইজড অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ট্রমা সার্ভিস এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর দল ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে যুক্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চলছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নির্দেশে প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

পোস্টে বলা হয়, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী রেখা গুপ্তার নির্দেশে প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত সবাই যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, আমি ওয়াহেগুরুর কাছে সেই প্রার্থনা করছি।’

সূত্র: এএনআই নিউজ

Share this news as a Photo Card