নিউইয়র্ক ১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে এলে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের ভাবনা মামদানির, ট্রাম্প বললেন ‘কোনোভাবেই না’

  • আপডেটের সময় : ০৮:০৪:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৩২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের আইনি সুযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে শহরের আইন বিভাগ বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। এমন বক্তব্যের পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নেতানিয়াহুকে ‘কোনোভাবেই’ গ্রেপ্তার করা হবে না।

সোমবার (২০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কোনোভাবেই গ্রেপ্তার করা হবে না।’ যদিও তিনি তার পোস্টে মামদানির নাম উল্লেখ করেননি। 

নিউইয়র্ক টাইমসের পডকাস্ট ‘দ্য ইন্টারভিউ’-এ সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, তার বিশ্বাস, নেতানিয়াহুর স্থান দ্য হেগে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শহরের আইন বিভাগ সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের সুযোগ পর্যালোচনা করছে।

২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধ চলাকালে কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে দ্য হেগভিত্তিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। তবে ইসরায়েল আদালতের এখতিয়ার প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে।

প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু সাধারণত নিউইয়র্ক সফর করেন। তার সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এদিকে মামদানির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইসিসিকে ‘প্রহসনের আদালত’ আখ্যা দিয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ‘ভুয়া’ বলে দাবি করেছে। একই সঙ্গে মামদানির মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও অভিযোগ করেছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার পরিচালনা করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—দুই দেশই আইসিসির সদস্য নয়।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

নিউইয়র্কে এলে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের ভাবনা মামদানির, ট্রাম্প বললেন ‘কোনোভাবেই না’

আপডেটের সময় : ০৮:০৪:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের আইনি সুযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে শহরের আইন বিভাগ বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। এমন বক্তব্যের পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নেতানিয়াহুকে ‘কোনোভাবেই’ গ্রেপ্তার করা হবে না।

সোমবার (২০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কোনোভাবেই গ্রেপ্তার করা হবে না।’ যদিও তিনি তার পোস্টে মামদানির নাম উল্লেখ করেননি। 

নিউইয়র্ক টাইমসের পডকাস্ট ‘দ্য ইন্টারভিউ’-এ সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, তার বিশ্বাস, নেতানিয়াহুর স্থান দ্য হেগে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শহরের আইন বিভাগ সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের সুযোগ পর্যালোচনা করছে।

২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধ চলাকালে কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে দ্য হেগভিত্তিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। তবে ইসরায়েল আদালতের এখতিয়ার প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে।

প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু সাধারণত নিউইয়র্ক সফর করেন। তার সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এদিকে মামদানির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইসিসিকে ‘প্রহসনের আদালত’ আখ্যা দিয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ‘ভুয়া’ বলে দাবি করেছে। একই সঙ্গে মামদানির মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও অভিযোগ করেছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার পরিচালনা করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—দুই দেশই আইসিসির সদস্য নয়।

Share this news as a Photo Card