নিউইয়র্ক ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা: ৬ আসামির ৭ দিনের রিমান্ড

  • আপডেটের সময় : ০৭:৩৫:১১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
  • ২৯ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নথি তৈরির অভিযোগে করা মামলায় ছয় আসামির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসী, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মণ্ডল ও রফিকুল ইসলাম। আজ রিমান্ড শুনানির সময় তাঁদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে গত ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সামিম সরদার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ও খাম ব্যবহার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে সাত পৃষ্ঠার একটি নথি পাঠায়। ওই নথিতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জাল স্বাক্ষর যুক্ত ছিল।

নথিগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব পায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। তদন্তে নেমে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র সরকারি নথিপত্র, সিল ও অফিশিয়াল লেটারহেড জাল করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এরপর অভিযান চালিয়ে মাদারীপুরের কালকিনি ও কুষ্টিয়া থেকে ফারুক, সাকিব, মাসুম, তৌহিদুল ও বকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই জালিয়াতির ঘটনায় গত ৫ আগস্ট রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন ডিবি পুলিশের এসআই রায়হানুর রহমান। ওই দিনই গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে বিচারকের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা দায়েরের পরদিন রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত একাধিক ভুয়া লেটারহেড প্যাড জব্দ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা: ৬ আসামির ৭ দিনের রিমান্ড

আপডেটের সময় : ০৭:৩৫:১১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নথি তৈরির অভিযোগে করা মামলায় ছয় আসামির সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসী, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মণ্ডল ও রফিকুল ইসলাম। আজ রিমান্ড শুনানির সময় তাঁদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে গত ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সামিম সরদার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ও খাম ব্যবহার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে সাত পৃষ্ঠার একটি নথি পাঠায়। ওই নথিতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জাল স্বাক্ষর যুক্ত ছিল।

নথিগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব পায় ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। তদন্তে নেমে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র সরকারি নথিপত্র, সিল ও অফিশিয়াল লেটারহেড জাল করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এরপর অভিযান চালিয়ে মাদারীপুরের কালকিনি ও কুষ্টিয়া থেকে ফারুক, সাকিব, মাসুম, তৌহিদুল ও বকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই জালিয়াতির ঘটনায় গত ৫ আগস্ট রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন ডিবি পুলিশের এসআই রায়হানুর রহমান। ওই দিনই গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে বিচারকের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা দায়েরের পরদিন রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত একাধিক ভুয়া লেটারহেড প্যাড জব্দ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card