নিউইয়র্ক ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ হোটেল-রেস্তোরাঁকে শোকজ

  • আপডেটের সময় : ০৭:৩০:১৫ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
  • ৮ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা ইনে অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশি পর্যটকসহ মোট ৯ জন প্রাণ হারানোর পর ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস। 

জানা গেছে, ওই এলাকার ৯টি হোটেল ও ৪টি রেস্তোরাঁকে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবিধি না মানার অভিযোগে ইতিমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর কাছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার কারণ জানতে চেয়েছে। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার স্থান মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার শিখা ইন হোটেল, যেখানে অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ হয়ে এবং ধোঁয়ায় শ্বাস আটকে সাত বাংলাদেশি ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক মারা যান। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক, তার স্ত্রী, শিশুসন্তান ও শ্বশুর ছিলেন। আর ভারতীয়দের মধ্যে একজন ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা ও হোটেল কর্মী ১৯ বছর বয়সী সন্দ্বীপ পাসোয়ান এবং অন্যজন শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগরওয়াল (৬৮)।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সংবর্ধনা কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে যা দ্রুত পুরো হোটেলে ছড়ায়। অগ্নিকাণ্ডের দিন হোটেলটিতে ১০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন যার মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি।

হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্র প্রায় পাঁচ মাস আগে মাসিক ৪০ হাজার রুপি ভাড়ায় এটি আবুজাফর নামের এক ব্যক্তির স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর পুলিশ ইজারাদার আবুজাফরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। অভিযুক্তের স্ত্রী বর্তমানে পলাতক রয়েছেন, তবে মালিকের অন্য একটি হোটেল ‘যাপন’-এর এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব

মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ হোটেল-রেস্তোরাঁকে শোকজ

২১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ হোটেল-রেস্তোরাঁকে শোকজ

আপডেটের সময় : ০৭:৩০:১৫ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা ইনে অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশি পর্যটকসহ মোট ৯ জন প্রাণ হারানোর পর ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস। 

জানা গেছে, ওই এলাকার ৯টি হোটেল ও ৪টি রেস্তোরাঁকে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবিধি না মানার অভিযোগে ইতিমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর কাছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার কারণ জানতে চেয়েছে। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার স্থান মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার শিখা ইন হোটেল, যেখানে অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ হয়ে এবং ধোঁয়ায় শ্বাস আটকে সাত বাংলাদেশি ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক মারা যান। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক, তার স্ত্রী, শিশুসন্তান ও শ্বশুর ছিলেন। আর ভারতীয়দের মধ্যে একজন ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা ও হোটেল কর্মী ১৯ বছর বয়সী সন্দ্বীপ পাসোয়ান এবং অন্যজন শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগরওয়াল (৬৮)।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সংবর্ধনা কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে যা দ্রুত পুরো হোটেলে ছড়ায়। অগ্নিকাণ্ডের দিন হোটেলটিতে ১০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন যার মধ্যে ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি।

হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্র প্রায় পাঁচ মাস আগে মাসিক ৪০ হাজার রুপি ভাড়ায় এটি আবুজাফর নামের এক ব্যক্তির স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর পুলিশ ইজারাদার আবুজাফরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। অভিযুক্তের স্ত্রী বর্তমানে পলাতক রয়েছেন, তবে মালিকের অন্য একটি হোটেল ‘যাপন’-এর এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান

Share this news as a Photo Card