ইরান এবার এমন একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখোমুখি হয়েছে, যিনি শুধু হুমকি দেন না, প্রয়োজনে পদক্ষেপও নেন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয় না, ইরানের সরকার এর আগে কখনও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতো কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখোমুখি হয়েছে। তিনি এমন একজন নেতা, যিনি বাস্তব পদক্ষেপ নেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে ইরান শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং বিশ্বের অনেক দেশকেই বিভ্রান্ত করেছে। তারা মিথ্যা বলেছে, চুক্তি ভেঙেছে এবং নানা কৌশলে অন্যদের সঙ্গে সমঝোতা করেছে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।’
রুবিও বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি আলোচনা আবার শুরু করার চেষ্টা করা হবে, যাতে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো যায়।
তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক সপ্তাহে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করা যায় কি না এবং এই যুদ্ধের ইতি টানা যায় কি না, সে জন্য কিছু উদ্যোগ দেখতে পাবেন।’
তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করেন, উভয় পক্ষেরই কিছু কঠোর অবস্থান বা ‘রেড লাইন’ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষের এসব রেড লাইন যতক্ষণ না কিছুটা কাছাকাছি আনা যায়, ততক্ষণ সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্ভাব্য সংঘাত প্রসঙ্গে রুবিও বলেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বা সামরিক—যেকোনো ধরনের সংঘাতই অত্যন্ত ভয়াবহ হবে।
তিনি বলেন, ‘ঈশ্বর না করুন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক বা সামরিক সংঘাত হয়, তাহলে তা শুধু দুই দেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই বিপর্যয়কর হবে।’
রুবিও আরও বলেন, ‘আমাদের এই সম্পর্ক সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে। তবে জাতীয় স্বার্থ থেকে সরে আসার সুযোগ নেই। এটাই পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে কঠিন কাজ।’



















