নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অথবা যৌতুক আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে অযথা হয়রানি থেকে পুরুষদের সুরক্ষায় ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নে নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এ আদেশ দেন।
বাটারফ্লাই হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. খলিলুর রহমান গত মে মাসে ওই রিট করেন। রিটের পক্ষে আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিদুল ইসলাম জনি।
পরে আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শুনানি শেষে আদালত রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।
রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও যৌতুক আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের অযথা হয়রানি থেকে সুরক্ষায় ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন আইন প্রণয়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা–ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছিল। পুরুষদের এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল চাওয়া হয়।
রুল হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ‘অপব্যবহারের’ মাধ্যমে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছিল রিটে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়।


























