নিউইয়র্ক ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে: শফিকুর রহমান

  • আপডেটের সময় : ০৫:০৭:৩২ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির  ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের দোসররা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের কালো ছায়া এখনো দেশে রয়ে গেছে। এই আগ্রাসন সংস্কৃতির মাধ্যমে তাড়াতে হবে। দেশীয় সংস্কৃতি সংসদ সেই কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ আয়োজিত ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬’ তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, সাংস্কৃতিক চেতনা ও জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই জুলাইকে আমাদের সবাইকে টিকিয়ে রাখতে হবে। দেশকে আমরা সবাই মিলে গড়ব। জাতিকে আমরা বিভক্ত করতে চাই না। যারা জাতিকে বিভক্ত করতে চায় তারা দেশের দুশমন। আমাদের ভিন্নমত ভিন্ন আদর্শ থাকতে পারে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ২৪ এর ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদ সাময়িকভাবে দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি তাহলে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদকে চিরতরে বিদায় করব ইনশাআল্লাহ।

দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সেক্রেটারি ড. মনোয়ারুল ইসলাম, বাচিক শিল্পী শরীফ বায়জীদ মাহমুদ, নাট্যকার মাহবুব মুকুল ও আবৃত্তিকার আহসান হাবীব খানের সঞ্চালনায় ওই আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে ইমর আ ন ম শামসুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। উৎসবে সভাপতিত্ব করেন লেখক, আইনজীবী ও সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

জুলাই উৎসবে দেশের প্রখ্যাত শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সঙ্গীত কেন্দ্রের সভাপতি তাফাজ্জল হোসাইন খান, কবি ও সম্পাদক মোশাররফ হোসেন খান, বাংলাদেশ চারুশিল্পী পরিষদের সভাপতি ইব্রাহিম মণ্ডল, কবিতা বাংলাদেশের সেক্রেটারি ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, গীতিকার সাইফুল আরেফিন লেলিন ও জুলাই শহীদ আব্দুল্লাহ তাহিরের মা। 

অনুষ্ঠানে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যার মধ্যে রয়েছে তেলাওয়াত, আবৃত্তি, জারি, সংগীত, কাওয়ালি, গম্ভীরা ও অভিনয়। পাশাপাশি পরিবেশিত হয় বিশেষ নাটক ‘রক্তাক্ত জুলাই’, যেখানে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও গণজাগরণের শিল্পরূপ তুলে ধরা হয়েছে। 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

খাবারের নিম্নমান ও ট্রলিং নিয়ে নিউইয়র্কের রাফা স্পাইসি কটেজ ঘিরে প্রবাসীদের ক্ষোভ

ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনায় ইসরায়েল সম্মতি দেয়নি: নেতানিয়াহু

০৬ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে: শফিকুর রহমান

আপডেটের সময় : ০৫:০৭:৩২ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির  ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের দোসররা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের কালো ছায়া এখনো দেশে রয়ে গেছে। এই আগ্রাসন সংস্কৃতির মাধ্যমে তাড়াতে হবে। দেশীয় সংস্কৃতি সংসদ সেই কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ আয়োজিত ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬’ তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, সাংস্কৃতিক চেতনা ও জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই জুলাইকে আমাদের সবাইকে টিকিয়ে রাখতে হবে। দেশকে আমরা সবাই মিলে গড়ব। জাতিকে আমরা বিভক্ত করতে চাই না। যারা জাতিকে বিভক্ত করতে চায় তারা দেশের দুশমন। আমাদের ভিন্নমত ভিন্ন আদর্শ থাকতে পারে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ২৪ এর ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদ সাময়িকভাবে দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি তাহলে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদকে চিরতরে বিদায় করব ইনশাআল্লাহ।

দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সেক্রেটারি ড. মনোয়ারুল ইসলাম, বাচিক শিল্পী শরীফ বায়জীদ মাহমুদ, নাট্যকার মাহবুব মুকুল ও আবৃত্তিকার আহসান হাবীব খানের সঞ্চালনায় ওই আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে ইমর আ ন ম শামসুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। উৎসবে সভাপতিত্ব করেন লেখক, আইনজীবী ও সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

জুলাই উৎসবে দেশের প্রখ্যাত শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সঙ্গীত কেন্দ্রের সভাপতি তাফাজ্জল হোসাইন খান, কবি ও সম্পাদক মোশাররফ হোসেন খান, বাংলাদেশ চারুশিল্পী পরিষদের সভাপতি ইব্রাহিম মণ্ডল, কবিতা বাংলাদেশের সেক্রেটারি ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, গীতিকার সাইফুল আরেফিন লেলিন ও জুলাই শহীদ আব্দুল্লাহ তাহিরের মা। 

অনুষ্ঠানে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যার মধ্যে রয়েছে তেলাওয়াত, আবৃত্তি, জারি, সংগীত, কাওয়ালি, গম্ভীরা ও অভিনয়। পাশাপাশি পরিবেশিত হয় বিশেষ নাটক ‘রক্তাক্ত জুলাই’, যেখানে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও গণজাগরণের শিল্পরূপ তুলে ধরা হয়েছে। 

Share this news as a Photo Card