নিউইয়র্ক ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলি বসতির বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞায় ইউরোপের ১২ দেশের সমর্থন

  • আপডেটের সময় : ১০:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছে বা এ ধরনের ইউরোপীয় উদ্যোগকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে ১২টি দেশ। দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডাও রয়েছে।

ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগ নিয়েছে ১২টি দেশ। মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানান, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তারা জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা ইউরোপীয় পর্যায়ের এ ধরনের পদক্ষেপকে সমর্থনের পরিকল্পনা করছেন। 

এ ছাড়া কয়েকটি দেশ নিজস্ব জাতীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েল সরকারের কর্মকাণ্ড দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

১২ দেশের তালিকায় যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্সের পাশাপাশি রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন ও সুইডেন।

এর আগে মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে ঘোষণা দেন, যুক্তরাজ্য অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। তিনি জানান, কানাডা ও ফ্রান্সও অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করবে।

এছাড়া ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেন এই পদক্ষেপকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানান মিলিব্যান্ড।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা কাঠামোও চালু করা হবে। শুধু অন্যায় ও দুর্ভোগের নিন্দা জানানোর পরিবর্তে এখন ব্রিটেনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মিলিব্যান্ড বলেন, আমরা আরও দুর্ভোগ ও দ্বিরাষ্ট্র সমাধান ধ্বংসের ঘটনায় নীরব দর্শক থাকব না।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ এসব বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েল এ অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইয়েমেনে ৩২টি বিমান হামলা সৌদি আরবের

ভয়াবহ বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বতে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল নেপালও

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ইসরায়েলি বসতির বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞায় ইউরোপের ১২ দেশের সমর্থন

আপডেটের সময় : ১০:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছে বা এ ধরনের ইউরোপীয় উদ্যোগকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে ১২টি দেশ। দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডাও রয়েছে।

ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগ নিয়েছে ১২টি দেশ। মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানান, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তারা জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা ইউরোপীয় পর্যায়ের এ ধরনের পদক্ষেপকে সমর্থনের পরিকল্পনা করছেন। 

এ ছাড়া কয়েকটি দেশ নিজস্ব জাতীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েল সরকারের কর্মকাণ্ড দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

১২ দেশের তালিকায় যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্সের পাশাপাশি রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন ও সুইডেন।

এর আগে মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে ঘোষণা দেন, যুক্তরাজ্য অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। তিনি জানান, কানাডা ও ফ্রান্সও অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করবে।

এছাড়া ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেন এই পদক্ষেপকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানান মিলিব্যান্ড।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা কাঠামোও চালু করা হবে। শুধু অন্যায় ও দুর্ভোগের নিন্দা জানানোর পরিবর্তে এখন ব্রিটেনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মিলিব্যান্ড বলেন, আমরা আরও দুর্ভোগ ও দ্বিরাষ্ট্র সমাধান ধ্বংসের ঘটনায় নীরব দর্শক থাকব না।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ এসব বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েল এ অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়।

Share this news as a Photo Card