নিউইয়র্ক ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩৪০০ কোস্টগার্ড সদস্য মোতায়েন

  • আপডেটের সময় : ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩ হাজার ৪০০ সদস্য মোতায়েন করবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সংস্থাটির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ ছাড়া বিসর্জনের সময় নৌপথে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে বিশেষ ডুবুরি দল।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় উপাসনালয় ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল কার্যক্রম বাড়ানো হবে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিচালনা করা হবে।

কোস্ট গার্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংস্থাটির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চারটি জোনে মোট ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ঢাকা জোনে ৩৭টি, পূর্ব জোন বা চট্টগ্রামে ৬৩টি, পশ্চিম জোন বা মোংলায় ১৪৪টি এবং দক্ষিণ জোন বা ভোলায় ৩৭১টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ রয়েছে।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা, সাম্প্রদায়িক উসকানি, গুজব ও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্ট গার্ড প্রস্তুত রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা, নৌযানে থাকা সবার লাইফ জ্যাকেট পরা নিশ্চিত করা এবং সাঁতার না জানা ব্যক্তিদের নৌযানে না ওঠার বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।

এ ছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের স্থানে নৌকাডুবির মতো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পেতে সংস্থাটির জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কাতার থেকে ৭৪৭ জেট উপহার পাওয়ার কথা জানালেন ট্রাম্প

চীনা যন্ত্রাংশ দিয়ে উন্নতমানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে হুথিরা

১৫ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩৪০০ কোস্টগার্ড সদস্য মোতায়েন

আপডেটের সময় : ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩ হাজার ৪০০ সদস্য মোতায়েন করবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সংস্থাটির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ ছাড়া বিসর্জনের সময় নৌপথে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে বিশেষ ডুবুরি দল।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় উপাসনালয় ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল কার্যক্রম বাড়ানো হবে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিচালনা করা হবে।

কোস্ট গার্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংস্থাটির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চারটি জোনে মোট ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ঢাকা জোনে ৩৭টি, পূর্ব জোন বা চট্টগ্রামে ৬৩টি, পশ্চিম জোন বা মোংলায় ১৪৪টি এবং দক্ষিণ জোন বা ভোলায় ৩৭১টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ রয়েছে।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা, সাম্প্রদায়িক উসকানি, গুজব ও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্ট গার্ড প্রস্তুত রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা, নৌযানে থাকা সবার লাইফ জ্যাকেট পরা নিশ্চিত করা এবং সাঁতার না জানা ব্যক্তিদের নৌযানে না ওঠার বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।

এ ছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের স্থানে নৌকাডুবির মতো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পেতে সংস্থাটির জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Share this news as a Photo Card