নিউইয়র্ক ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে ৭০ বারের বেশি আফটারশক, নিহত বেড়ে ২৫০

  • আপডেটের সময় : ০৯:০৭:৫৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২২৪ জনে। এরই মধ্যে ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে ৭০ বারের বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নতুন করে কম্পন ও প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, আরও কয়েক দিন, সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত আফটারশক অব্যাহত থাকতে পারে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের হিসাব অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সংখ্যা জানিয়েছে তারা।

সিএনএনের সর্বশেষ হিসাবের পর পশ্চিমাঞ্চলীয় চোকো বিভাগে আরও ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্দোবা-কুরি জানিয়েছেন, ওই বিভাগে আরও ১৩৮ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে একের পর এক আফটারশক। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সোমবারের প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে ৭০ বারের বেশি আফটারশক হয়েছে।

এর মধ্যে সর্বশেষ কম্পনটি মঙ্গলবার সকালে অনুভূত হয়। এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৮। মূল ভূমিকম্পের তুলনায় এটি অনেক কম শক্তিশালী হলেও দেশের বেশ কয়েকটি শহরে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, সর্বশেষ আফটারশকের কেন্দ্রও চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকায় ছিল। কম্পনটির উৎপত্তি হয়েছে ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।

সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, আরও আফটারশক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মূল ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ফাটল কিংবা ভূত্বকের পরিবর্তিত অংশের আশপাশে জমে থাকা শক্তি পুরোপুরি বেরিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে কয়েক দিন, কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাসও সময় লাগতে পারে। এ সময় আফটারশক অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফলে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও তৎপরতার পাশাপাশি নতুন কম্পনের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাজ্যে মুসলিমদের অজু ও এশীয়দের চাল ধোয়ায় কম পানি ব্যবহারের পরামর্শ

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ‘গণহত্যার’ অভিযোগ, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাইল তুরস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে ৭০ বারের বেশি আফটারশক, নিহত বেড়ে ২৫০

আপডেটের সময় : ০৯:০৭:৫৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২২৪ জনে। এরই মধ্যে ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে ৭০ বারের বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নতুন করে কম্পন ও প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, আরও কয়েক দিন, সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত আফটারশক অব্যাহত থাকতে পারে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের হিসাব অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সংখ্যা জানিয়েছে তারা।

সিএনএনের সর্বশেষ হিসাবের পর পশ্চিমাঞ্চলীয় চোকো বিভাগে আরও ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্দোবা-কুরি জানিয়েছেন, ওই বিভাগে আরও ১৩৮ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে একের পর এক আফটারশক। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সোমবারের প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে ৭০ বারের বেশি আফটারশক হয়েছে।

এর মধ্যে সর্বশেষ কম্পনটি মঙ্গলবার সকালে অনুভূত হয়। এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৮। মূল ভূমিকম্পের তুলনায় এটি অনেক কম শক্তিশালী হলেও দেশের বেশ কয়েকটি শহরে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, সর্বশেষ আফটারশকের কেন্দ্রও চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকায় ছিল। কম্পনটির উৎপত্তি হয়েছে ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।

সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, আরও আফটারশক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মূল ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ফাটল কিংবা ভূত্বকের পরিবর্তিত অংশের আশপাশে জমে থাকা শক্তি পুরোপুরি বেরিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে কয়েক দিন, কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাসও সময় লাগতে পারে। এ সময় আফটারশক অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফলে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও তৎপরতার পাশাপাশি নতুন কম্পনের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

Share this news as a Photo Card