নিউইয়র্ক ০৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেল্লা বাবার মাজারে দানবাক্সে মিলল কোটি টাকা, সঙ্গে স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা

  • আপডেটের সময় : ০৫:০৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • ১৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের ওরস উপলক্ষে খোলা চারটি দানবাক্সে মিলেছে ১ কোটি ৩ লাখ ৩৫১ টাকা। এর সঙ্গে পাওয়া গেছে স্বর্ণালংকার, রুপা ও বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা।

সোমবার সকাল ৯টায় দানবাক্সগুলো খোলার পর টাকা গণনা শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ১৯ ঘণ্টা ধরে গণনা শেষে রাত সাড়ে ৪টার দিকে হিসাব শেষ হয়। পরে পাওয়া ১ কোটি ৩ লাখ ৩৫১ টাকা সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা দেওয়া হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি তাপসী রাবেয়ার নেতৃত্বে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। টাকা গণনায় সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরিফ মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। চারটি দানবাক্স থেকে মোট ১২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।

মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, ১০ আগস্ট মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। ১৬ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে।

ওরস উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ টাকা, স্বর্ণ-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন। দানবাক্সের পাশাপাশি মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ওরফে মিন্টু খাদেম জানান, ২০২৩ সালে দানবাক্সে ৮৪ লাখ টাকা, ২০২২ সালে ৬৪ লাখ এবং ২০২১ সালে ৬১ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এবারই প্রথম দানবাক্সে এক কোটি টাকার বেশি পাওয়া গেল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মাজারটি প্রায় ৭০০ বছরের পুরোনো। প্রতি বছর ওরসকে ঘিরে এখানে বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

কেল্লা বাবার মাজারে দানবাক্সে মিলল কোটি টাকা, সঙ্গে স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা

আপডেটের সময় : ০৫:০৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের ওরস উপলক্ষে খোলা চারটি দানবাক্সে মিলেছে ১ কোটি ৩ লাখ ৩৫১ টাকা। এর সঙ্গে পাওয়া গেছে স্বর্ণালংকার, রুপা ও বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা।

সোমবার সকাল ৯টায় দানবাক্সগুলো খোলার পর টাকা গণনা শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ১৯ ঘণ্টা ধরে গণনা শেষে রাত সাড়ে ৪টার দিকে হিসাব শেষ হয়। পরে পাওয়া ১ কোটি ৩ লাখ ৩৫১ টাকা সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা দেওয়া হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি তাপসী রাবেয়ার নেতৃত্বে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। টাকা গণনায় সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরিফ মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। চারটি দানবাক্স থেকে মোট ১২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।

মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, ১০ আগস্ট মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। ১৬ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে।

ওরস উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ টাকা, স্বর্ণ-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন। দানবাক্সের পাশাপাশি মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ওরফে মিন্টু খাদেম জানান, ২০২৩ সালে দানবাক্সে ৮৪ লাখ টাকা, ২০২২ সালে ৬৪ লাখ এবং ২০২১ সালে ৬১ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এবারই প্রথম দানবাক্সে এক কোটি টাকার বেশি পাওয়া গেল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মাজারটি প্রায় ৭০০ বছরের পুরোনো। প্রতি বছর ওরসকে ঘিরে এখানে বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়।

Share this news as a Photo Card