নিউইয়র্ক ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চারটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন

  • আপডেটের সময় : ০২:৩৭:৩৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

দেশে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। পাশাপাশি আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এলওআই পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ব্যাংকগুলো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য নির্বাচিত চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক।

ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। আর বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।

এ ছাড়া আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে এবার এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত এ লাইসেন্সের জন্য আবেদন নেওয়া হয়। ওই সময় মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে।

আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা বা উদ্যোক্তাদের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আহসান এইচ মনসুর।

পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। নতুন করে আবেদন আহ্বান না করে আগের দফায় জমা পড়া আবেদনগুলো থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পরিচালনা পর্ষদ।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপলো তুরস্ক

জাতিসংঘে গাজায় ইসরায়েলের ‘গণহত্যা’র তীব্র নিন্দা জানালেন স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

চারটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন

আপডেটের সময় : ০২:৩৭:৩৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। পাশাপাশি আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এলওআই পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ব্যাংকগুলো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য নির্বাচিত চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক।

ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। আর বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।

এ ছাড়া আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে এবার এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত এ লাইসেন্সের জন্য আবেদন নেওয়া হয়। ওই সময় মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে।

আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা বা উদ্যোক্তাদের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আহসান এইচ মনসুর।

পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। নতুন করে আবেদন আহ্বান না করে আগের দফায় জমা পড়া আবেদনগুলো থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পরিচালনা পর্ষদ।

Share this news as a Photo Card