নিউইয়র্ক ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রলারে মিলল প্রায় ৬ মণ হরিণের মাংস, গ্রেপ্তার ২

  • আপডেটের সময় : ১১:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। 

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদীতে দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নিয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ ওই মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

নেছারাবাদের দৈহারী পুলিশ ফাঁড়ির নৌপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরে মাংস বহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস আনার অভিযোগ রয়েছে। কাঠবোঝাই, গোলপাতাবোঝাই এমনকি মাছ ধরার ট্রলারেও এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি। পরে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা কথিত চোরাকারবারিদের কাছে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সময়ের অভিযানে হরিণের মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। 

অভিযোগ রয়েছে, চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করায় পচা অবস্থায় বাজারজাত করা হয়। আবার কখনো হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়ে গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলারে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। এ বিষয়ে দুজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আগামীকাল আদালতে তাদেরকে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ট্রলারে মিলল প্রায় ৬ মণ হরিণের মাংস, গ্রেপ্তার ২

আপডেটের সময় : ১১:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। 

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদীতে দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নিয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ ওই মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

নেছারাবাদের দৈহারী পুলিশ ফাঁড়ির নৌপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরে মাংস বহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস আনার অভিযোগ রয়েছে। কাঠবোঝাই, গোলপাতাবোঝাই এমনকি মাছ ধরার ট্রলারেও এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি। পরে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা কথিত চোরাকারবারিদের কাছে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সময়ের অভিযানে হরিণের মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। 

অভিযোগ রয়েছে, চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করায় পচা অবস্থায় বাজারজাত করা হয়। আবার কখনো হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়ে গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলারে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। এ বিষয়ে দুজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আগামীকাল আদালতে তাদেরকে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card