নিউইয়র্ক ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিমের ডজনে কমলো ১০ টাকা, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস

  • আপডেটের সময় : ০৭:২০:৪৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে এখনো কোনো বড় স্বস্তি মেলেনি। মাছ ও মাংসের দাম প্রায় আগের চড়া হারেই বিক্রি হচ্ছে। তবে সামান্য স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে ডিম ও মুরগির বাজার—যেখানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা এবং কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে ১০ টাকার মতো। তবে মাছের দাম একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে, তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে কেনাবেচার এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের শুক্রবার এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা।  ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।

মাছ বিক্রেতারা জানান, পাইকারি সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে একদিনের ব্যবধানে বা সকাল-বিকেলের পার্থক্যে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দাম আগের চেয়ে বেশ চড়া।

পুকুরে চাষ করা পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ওজন ভেদে রুই ৩০০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

রফিকুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘আগে পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে। এখন ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’

মুরগি ব্যবসায়ী আনিস আহমেদ বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। আজ আবার একটু বেড়েছে। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে দাম ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।’

মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। কিছু মাছের দাম সবসময়ই বেশি থাকে। পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম ওঠানামা করে। সকালে এক দাম থাকলেও বিকেলে আবার দাম পরিবর্তন হতে পারে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সোয়াল

অলাভজনক সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে ইন্দোনেশিয়া

১৫ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ডিমের ডজনে কমলো ১০ টাকা, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস

আপডেটের সময় : ০৭:২০:৪৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে এখনো কোনো বড় স্বস্তি মেলেনি। মাছ ও মাংসের দাম প্রায় আগের চড়া হারেই বিক্রি হচ্ছে। তবে সামান্য স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে ডিম ও মুরগির বাজার—যেখানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা এবং কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে ১০ টাকার মতো। তবে মাছের দাম একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে, তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে কেনাবেচার এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের শুক্রবার এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা।  ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।

মাছ বিক্রেতারা জানান, পাইকারি সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে একদিনের ব্যবধানে বা সকাল-বিকেলের পার্থক্যে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দাম আগের চেয়ে বেশ চড়া।

পুকুরে চাষ করা পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ওজন ভেদে রুই ৩০০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

রফিকুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘আগে পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে। এখন ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’

মুরগি ব্যবসায়ী আনিস আহমেদ বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। আজ আবার একটু বেড়েছে। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে দাম ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।’

মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। কিছু মাছের দাম সবসময়ই বেশি থাকে। পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম ওঠানামা করে। সকালে এক দাম থাকলেও বিকেলে আবার দাম পরিবর্তন হতে পারে।

Share this news as a Photo Card