নিউইয়র্ক ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল দুনিয়ার ফাঁদ থেকে দূরে থাকার বার্তা কঙ্গনার

  • আপডেটের সময় : ০৭:৫৫:৩০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

দাপুটে অভিনয়ের পাশাপাশি অভিনেত্রীর স্পষ্টবক্তা হিসেবেও জুড়ি মেলা ভার। তিনি বলিউডের ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা রানাউত। পুণে হত্যাকাণ্ডকে সামনে রেখে বর্তমান প্রজন্মকে সম্পর্ক লালনের বিশেষ টিপস দিয়েছেন অভিনেত্রী। যুবসমাজের উৎশৃঙ্খল জীবনযাপন, একসঙ্গে একাধিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার মতো বিষয়গুলোকে ধিক্কার জানিয়েছেন কঙ্গনা। আধুনিক ডেটিং সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী। তরুণ প্রজন্মকে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

সম্প্রতি এক পোস্টে কঙ্গনা আধুনিক তরুণদের উদ্দেশ্যহীন জীবনযাত্রার সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ডেটিং অ্যাপ, বেঞ্চিং, ঘোস্টিং, ডাবল/ট্রিপল ডিজিট বডি কাউন্ট, ক্র্যাম্বিং, সিয়িং, টেস্টিং, ফিল্টার, স্টোরিজ, মাদক, ক্লাব, পার্টি এসবের পরও তরুণদের আনন্দ যে পরিপূর্ণ হয় না। এমন মোহ-মায়া, আবেগ, উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন সবকিছু ওলোটপালট করে দেয়।’

ডিজিটাল দুনিয়ার ফাঁদ থেকে তরুণদের দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘তাই আবেগ থাকা উচিত, কিন্তু সেটা নিজের ক্যারিয়ার বা জীবনে সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে। তরুণ প্রজন্মকে বলতে চাই, নিজেদের শক্তি, ভাবনাকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করো। খোলা মনে ভাবো কিন্তু রক্ষণশীল জীবনযাপন করো। তাহলে জেল, একঘেয়েমি, নেতিবাচকতা, অবসাদসহ অনেক সমস্যার হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবে।’

তার ভাষ্য, ‘এখনকার দিনে শুধু কোনও পরিবারের পরিবেশ বা মা-বাবাকে দেখে সন্তানদের মূল্যবোধ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা উচিত নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কে তাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করছে? বা তারা কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে? ওদের জীবনে স্যোশাল মিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বা কী ধরনের প্রভাব ফেলছে? এগুলো দেখা উচিত।’

পরিশেষে তিনি বলেন, ‘বাবা-মাকে দোষারোপ করা যায় না। কারণ মানুষ এখন সমান্তরালে একাধিকভাবে জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত। খুব সতর্কতার সঙ্গে সমাজের কাছে নিজেদের একটি কাঙ্ক্ষিত ভাবমূর্তি গড়ে তোলে। কারণ তাদের কাছে নিজের অনুভূতির চেয়ে সমাজ তাদের কোন চোখে দেখছে? সেটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই সন্তানদের কুকর্মের জন্য পরিবারকে দায়ী করা উচিত নয়।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পেনাল্টি পেলো ফ্রান্স, মিস করলেন এমবাপ্পে 

১১ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল দুনিয়ার ফাঁদ থেকে দূরে থাকার বার্তা কঙ্গনার

আপডেটের সময় : ০৭:৫৫:৩০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

দাপুটে অভিনয়ের পাশাপাশি অভিনেত্রীর স্পষ্টবক্তা হিসেবেও জুড়ি মেলা ভার। তিনি বলিউডের ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা রানাউত। পুণে হত্যাকাণ্ডকে সামনে রেখে বর্তমান প্রজন্মকে সম্পর্ক লালনের বিশেষ টিপস দিয়েছেন অভিনেত্রী। যুবসমাজের উৎশৃঙ্খল জীবনযাপন, একসঙ্গে একাধিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার মতো বিষয়গুলোকে ধিক্কার জানিয়েছেন কঙ্গনা। আধুনিক ডেটিং সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী। তরুণ প্রজন্মকে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

সম্প্রতি এক পোস্টে কঙ্গনা আধুনিক তরুণদের উদ্দেশ্যহীন জীবনযাত্রার সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ডেটিং অ্যাপ, বেঞ্চিং, ঘোস্টিং, ডাবল/ট্রিপল ডিজিট বডি কাউন্ট, ক্র্যাম্বিং, সিয়িং, টেস্টিং, ফিল্টার, স্টোরিজ, মাদক, ক্লাব, পার্টি এসবের পরও তরুণদের আনন্দ যে পরিপূর্ণ হয় না। এমন মোহ-মায়া, আবেগ, উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন সবকিছু ওলোটপালট করে দেয়।’

ডিজিটাল দুনিয়ার ফাঁদ থেকে তরুণদের দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘তাই আবেগ থাকা উচিত, কিন্তু সেটা নিজের ক্যারিয়ার বা জীবনে সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে। তরুণ প্রজন্মকে বলতে চাই, নিজেদের শক্তি, ভাবনাকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করো। খোলা মনে ভাবো কিন্তু রক্ষণশীল জীবনযাপন করো। তাহলে জেল, একঘেয়েমি, নেতিবাচকতা, অবসাদসহ অনেক সমস্যার হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবে।’

তার ভাষ্য, ‘এখনকার দিনে শুধু কোনও পরিবারের পরিবেশ বা মা-বাবাকে দেখে সন্তানদের মূল্যবোধ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা উচিত নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কে তাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করছে? বা তারা কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে? ওদের জীবনে স্যোশাল মিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বা কী ধরনের প্রভাব ফেলছে? এগুলো দেখা উচিত।’

পরিশেষে তিনি বলেন, ‘বাবা-মাকে দোষারোপ করা যায় না। কারণ মানুষ এখন সমান্তরালে একাধিকভাবে জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত। খুব সতর্কতার সঙ্গে সমাজের কাছে নিজেদের একটি কাঙ্ক্ষিত ভাবমূর্তি গড়ে তোলে। কারণ তাদের কাছে নিজের অনুভূতির চেয়ে সমাজ তাদের কোন চোখে দেখছে? সেটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই সন্তানদের কুকর্মের জন্য পরিবারকে দায়ী করা উচিত নয়।’

Share this news as a Photo Card