নিউইয়র্ক ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ, ৮ দিন পর দাফন

  • আপডেটের সময় : ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালকে (৩২) আট দিন পর দাফন করা হয়েছে। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা-বাবার মধ্যে বিরোধ তৈরি হওয়ায় মৃত্যুর পরও তার মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে পড়ে ছিল।

মা, স্ত্রী ও ভাই চেয়েছিলেন ইসলামি রীতিতে শুভকে দাফন করতে। তবে বাবা চেয়েছিলেন হিন্দুধর্মীয় রীতিতে তার সৎকার করতে। এ নিয়ে বিরোধ গড়ায় উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বিরোধের অবসান হয়। পরে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জে এনে জানাজা শেষে শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে শুভর দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে তার মরদেহ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল। পরে মরদেহ তার স্ত্রী জ্যোতি আক্তারসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুভর শেষবিদায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন তার মা আয়েশা আক্তার, স্ত্রী জ্যোতি আক্তার, দুই বছর বয়সী মেয়ে সুমাইয়া সোহানা, ভাই ইব্রাহিম, বোনজামাই মো. সেলিমসহ আত্মীয়স্বজন। জানাজা ও দাফনের সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও ডিবি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর শুরু হয় কান্নাকাটি। মাকে কাঁদতে দেখে ছোট্ট সুমাইয়াও বাবার জন্য কাঁদছিল। বাবাকে হারানোর অর্থ বোঝার বয়স হয়নি তার। তবে মায়ের কান্না দেখে স্বজনদের সঙ্গে কাঁদছিল শিশুটিও।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ, ৮ দিন পর দাফন

আপডেটের সময় : ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালকে (৩২) আট দিন পর দাফন করা হয়েছে। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা-বাবার মধ্যে বিরোধ তৈরি হওয়ায় মৃত্যুর পরও তার মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে পড়ে ছিল।

মা, স্ত্রী ও ভাই চেয়েছিলেন ইসলামি রীতিতে শুভকে দাফন করতে। তবে বাবা চেয়েছিলেন হিন্দুধর্মীয় রীতিতে তার সৎকার করতে। এ নিয়ে বিরোধ গড়ায় উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বিরোধের অবসান হয়। পরে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জে এনে জানাজা শেষে শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে শুভর দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে তার মরদেহ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল। পরে মরদেহ তার স্ত্রী জ্যোতি আক্তারসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুভর শেষবিদায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন তার মা আয়েশা আক্তার, স্ত্রী জ্যোতি আক্তার, দুই বছর বয়সী মেয়ে সুমাইয়া সোহানা, ভাই ইব্রাহিম, বোনজামাই মো. সেলিমসহ আত্মীয়স্বজন। জানাজা ও দাফনের সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও ডিবি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর শুরু হয় কান্নাকাটি। মাকে কাঁদতে দেখে ছোট্ট সুমাইয়াও বাবার জন্য কাঁদছিল। বাবাকে হারানোর অর্থ বোঝার বয়স হয়নি তার। তবে মায়ের কান্না দেখে স্বজনদের সঙ্গে কাঁদছিল শিশুটিও।

Share this news as a Photo Card