নিউইয়র্ক ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

  • আপডেটের সময় : ১২:৪১:২৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার ১০ দিনের মাথায় পাবনায় একই শ্রেণির ১১ বছর বয়সী আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

‎‎অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কারিগরপাড়ার মৃত আলমের ছেলে। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের চা দোকানি ছিলেন। আর শিশুটি সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

‎‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ওই শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে জোরপূর্বক নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা দেখতে পান। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল ইসলাম সেখান থেকে পালিয়ে যান।

‎‎ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ছাড়া তার বাড়িঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎‎আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, ‘১১ বছর বয়সী এক শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে।’

‎ওসি বলেন, ‘ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ওই চায়ের দোকানে আগুন দিয়েছে এবং অভিযুক্তের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

গত ৯ সেপ্টেম্বর সদরের দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে মোস্তফা নামের এক মুদি দোকানি ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা প্রমানিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়সিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে পাবনাবাসী ফুঁসে উঠে। এর জেরে ১০দিন ধরে অভিযুক্তের বহুতল ভবন ভাঙচুর করছে জনতা।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

আপডেটের সময় : ১২:৪১:২৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার ১০ দিনের মাথায় পাবনায় একই শ্রেণির ১১ বছর বয়সী আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

‎‎অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কারিগরপাড়ার মৃত আলমের ছেলে। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের চা দোকানি ছিলেন। আর শিশুটি সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

‎‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ওই শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে জোরপূর্বক নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা দেখতে পান। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল ইসলাম সেখান থেকে পালিয়ে যান।

‎‎ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ছাড়া তার বাড়িঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎‎আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, ‘১১ বছর বয়সী এক শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে।’

‎ওসি বলেন, ‘ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ওই চায়ের দোকানে আগুন দিয়েছে এবং অভিযুক্তের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

গত ৯ সেপ্টেম্বর সদরের দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে মোস্তফা নামের এক মুদি দোকানি ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা প্রমানিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়সিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে পাবনাবাসী ফুঁসে উঠে। এর জেরে ১০দিন ধরে অভিযুক্তের বহুতল ভবন ভাঙচুর করছে জনতা।

Share this news as a Photo Card