নিউইয়র্ক ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটের সফল পরীক্ষা চালাল স্পেসএক্স

  • আপডেটের সময় : ০৮:১৪:১০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ২৭ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

নাসার ২০২৮ সালের মধ্যে আবারও মানুষকে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে স্পেসএক্স। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট স্টারশিপের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে সফলভাবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং নির্ধারিত স্থানে অবতরণ করেছে রকেটটি, যা ভবিষ্যতের চন্দ্র ও মঙ্গল অভিযানের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৮ সালের মধ্যে আবারও চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্টারশিপ রকেটের সফলতা আরও একধাপ এগিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও স্পেসএক্সকে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী এই পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।

গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের স্টারবেস উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে স্টারশিপ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি ছিল চলতি বছরে স্টারশিপের দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক ফ্লাইট।

৪০৭ ফুট দীর্ঘ রকেটটি উৎক্ষেপণের পর পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট স্থাপন করে। নির্ধারিত মিশন শেষে এটি সফলভাবে ভারত মহাসাগরে অবতরণ করে। এর আগের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে অবতরণের সময় রকেটটিতে আগুন ধরে গেলেও এবার প্রথমবারের মতো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে স্পেসএক্স।

স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস বলেন, এই সফলতা নিয়ে তারা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। তিনি জানান, উৎক্ষেপণ করা স্টারলিংক স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে বিশেষ ক্যামেরাযুক্ত কয়েকটি স্যাটেলাইট রকেটের হিট শিল্ড বা তাপ নিরোধক বর্মের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় এই সফলতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা নাসার আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরগুলোতে চাঁদ এবং পরবর্তীতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর অভিযানে স্টারশিপ রকেট ব্যবহার করা হবে। সে লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে রকেটটির সক্ষমতা যাচাই ও উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে স্পেসএক্স।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটের সফল পরীক্ষা চালাল স্পেসএক্স

আপডেটের সময় : ০৮:১৪:১০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নাসার ২০২৮ সালের মধ্যে আবারও মানুষকে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে স্পেসএক্স। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট স্টারশিপের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে সফলভাবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং নির্ধারিত স্থানে অবতরণ করেছে রকেটটি, যা ভবিষ্যতের চন্দ্র ও মঙ্গল অভিযানের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৮ সালের মধ্যে আবারও চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্টারশিপ রকেটের সফলতা আরও একধাপ এগিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও স্পেসএক্সকে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী এই পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।

গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের স্টারবেস উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে স্টারশিপ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি ছিল চলতি বছরে স্টারশিপের দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক ফ্লাইট।

৪০৭ ফুট দীর্ঘ রকেটটি উৎক্ষেপণের পর পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট স্থাপন করে। নির্ধারিত মিশন শেষে এটি সফলভাবে ভারত মহাসাগরে অবতরণ করে। এর আগের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে অবতরণের সময় রকেটটিতে আগুন ধরে গেলেও এবার প্রথমবারের মতো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে স্পেসএক্স।

স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস বলেন, এই সফলতা নিয়ে তারা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। তিনি জানান, উৎক্ষেপণ করা স্টারলিংক স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে বিশেষ ক্যামেরাযুক্ত কয়েকটি স্যাটেলাইট রকেটের হিট শিল্ড বা তাপ নিরোধক বর্মের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় এই সফলতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা নাসার আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরগুলোতে চাঁদ এবং পরবর্তীতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর অভিযানে স্টারশিপ রকেট ব্যবহার করা হবে। সে লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে রকেটটির সক্ষমতা যাচাই ও উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে স্পেসএক্স।

Share this news as a Photo Card