নিউইয়র্ক ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

  • আপডেটের সময় : ০৩:৩২:২৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব থেকে মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একইসঙ্গে ওই অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

টমি পিগট বলেছেন, ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমেই বেশি শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে। এর মধ্যে দেশটির বেসামরিক বিমানবন্দরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলাও রয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছেন। পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।

টমি পিগট আরও বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

মধ্যপ্রাচ্যের একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও বাহরাইন থেকেও মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তবে টমি পিগট জোর দিয়ে বলেছেন, বুধবারের নির্দেশটি শুধু সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসের যেসব কর্মীর আপাতত থাকা জরুরি নয়, তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য।

এর আগে, বুধবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা এবং সাধারণ যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য এই বার্তা দেয়া হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সৌদি সামরিক স্থাপনা, তেল অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক নৌযান চলাচল।

নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) হামলার পর সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের দেশটির যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য মিশনপ্রধানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রিয়াদ ও মদিনায় চার ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

২২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

আপডেটের সময় : ০৩:৩২:২৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরব থেকে মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীকে পরিবারসহ দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। একইসঙ্গে ওই অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

টমি পিগট বলেছেন, ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমেই বেশি শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে। এর মধ্যে দেশটির বেসামরিক বিমানবন্দরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলাও রয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছেন। পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।

টমি পিগট আরও বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

মধ্যপ্রাচ্যের একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও বাহরাইন থেকেও মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তবে টমি পিগট জোর দিয়ে বলেছেন, বুধবারের নির্দেশটি শুধু সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসের যেসব কর্মীর আপাতত থাকা জরুরি নয়, তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য।

এর আগে, বুধবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা এবং সাধারণ যাতায়াতব্যবস্থায় বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য এই বার্তা দেয়া হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সৌদি সামরিক স্থাপনা, তেল অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক নৌযান চলাচল।

নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) হামলার পর সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের দেশটির যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য মিশনপ্রধানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।

Share this news as a Photo Card