পর্দায় মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়েছে তেলেগু সুপারস্টার আল্লু অর্জুন ও দক্ষিণী নির্মাতা অ্যাটলির নতুন সিনেমা ‘রাকা’। প্রেক্ষাগৃহে আসার আগেই বহুল প্রতীক্ষিত সায়েন্স-ফিকশন অ্যাকশন ড্রামাটি জায়গা করে নিয়েছে ‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের নামও নতুন করে উজ্জ্বল হয়েছে।
গত সোমবার নির্মাতা অ্যাটলির ৪০তম জন্মদিনে অনুরাগীদের চমকে দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স। সিনেমাটির একটি বিশেষ দৃশ্যে একসঙ্গে ৩৭ জন পারফর্মারের ‘রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার’ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। এর আগে কোনো সিনেমায় একসঙ্গে এত বেশি মানুষের রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার করা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলির গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সনদ গ্রহণের ছবি শেয়ার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।
সান পিকচার্স তাদের বার্তায় লেখে, ‘ইতিহাস তৈরি হলো! এটি এমন এক বৈশ্বিক সাফল্য, যা ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছে। ৩৭ জন পারফর্মারকে একসাথে রিয়েল-টাইমে ক্যাপচার করে ‘‘রাকা’’ বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। আল্লু অর্জুন এবং অ্যাটলি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ গ্রহণ করেছেন, যা এই ঐতিহাসিক অর্জনকে চিহ্নিত করে।’
ঐতিহাসিক এই মাইফলক নিয়ে আল্লু অর্জুন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, ‘এটি পুরো টিমের জন্য অত্যন্ত গর্বের এক মুহূর্ত। আমাদের পরিশ্রম ও প্রচেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে সম্মানিত করার জন্য আমরা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
ইতোমধ্যেই নির্মাতারা একটি বিশেষ বিহাইন্ড দ্য সিন ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে কীভাবে প্রযুক্তির জাদুতে ৩৭ জন অভিনয়শিল্পীকে একসঙ্গে রিয়েল-টাইমে ক্যাপচার করা হয়েছিল, তার এক নজরকাড়া ঝলক দেখা গেছে।
প্রথমবারের মতো এই সিনেমার মাধ্যমে জুটি বেঁধেছেন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি। সিনেমাপাড়ায় জোর গুঞ্জন রয়েছে, ‘রাকা’-তে অল্লু অর্জনকে নাকি চারটি ভিন্ন চরিত্রে—দাদা, বাবা এবং দুই ছেলের ভূমিকায় দেখা যাবে। এমনকি গল্পে ‘প্যারালাল ইউনিভার্স’ বা সমান্তরাল মহাবিশ্বের ধারণাও উঠে আসতে পারে বলে চর্চা চলছে সামাজিক মাধ্যমে; যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাতারা এখনো কিছু নিশ্চিত করেননি। সান পিকচার্স প্রযোজিত এই মেগা বাজেটের ছবিতে আল্লু অর্জুনের পাশাপাশি দ্যুতি ছড়াবেন দীপিকা পাড়ুকোন, রাশমিকা মান্দানা, জাহ্নবী কাপুর এবং মৃণাল ঠাকুর।


























