মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার দ্বার উন্মুক্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন। যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে তেহরান ওয়াশিংটনে সাত দফা দাবির তালিকা পাঠানোর কয়েক ঘণ্টা পর রোববার তিনি এই মন্তব্য করেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) টাইমস নাউ-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শিগগিরই খুব বড় কিছু ঘটতে পারে। তিনি ইরানের জন্য তিনটি সম্ভাব্য পথের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে চুক্তি করা, তাদের অর্থনীতিকে পচনের সুযোগ দেওয়া অথবা বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে পুরোপুরি মুছে ফেলা।
চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়েও ট্রাম্প আগ্রহ প্রকাশ করেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বিলাসবহুল পণ্য ক্রয় ও চলাচলে বিধিনিষেধ সাপেক্ষে শীর্ষ ইরানি নেতাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাতটি শর্ত পাঠিয়েছে তেহরান। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মহসিন রেজাই জানান, সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ, জব্দ করা সম্পদ মুক্তি, নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সংঘাতের অবসানের শর্তে তারা ট্রাম্পের উত্তরের অপেক্ষায় আছেন।
ইরানের সামরিক সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা বড় ধরনের নতুন হামলা চালালে আঞ্চলিক মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধেও প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সূত্র: টাইমস নাউ



















