নিউইয়র্ক ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরসহ রাতের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিও ভাঙচুর ও ওই জমিতে হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্টুডিওর জমির মালিক নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ার, ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন এবং মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্না।

পুলিশ জানায়, নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সেখানে স্টুডিও তৈরি করেছিলেন সালমান মুক্তাদির। শনিবার দিবাগত রাতে দুই ট্রাকে করে লোকজন এসে স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ২টার দিকে ব্রাউনফিশ স্টুডিওর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘একটু আগে এখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’

পরে তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সম্ভবত ভবনের মালিক ছিলেন। তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা প্রকাশ করেন সালমান।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ ওই জমিতে একটি গেট তৈরি করে অন্যদের যাতায়াত আটকে দিয়েছিল। চলাচলে সমস্যার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এদিকে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সম্ভবত ৩৫ কাঠার একটা ডিসপিউটেড ল্যান্ড। যেখানে দুই পক্ষের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ আছে। এক পক্ষ নিউ গিনি প্রপার্টিজের। আরেক পক্ষ হলো একজন রিটায়ার্ড সিনিয়র সামরিক অফিসার। তাদের মধ্যেই বিরোধটা চলছিল। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে, রিটায়ার্ড কর্মকর্তার পক্ষে বেশ কিছু লোক রাতের অন্ধকারে এটা দখল করতে গিয়েছে।’

এ ঘটনায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরসহ রাতের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিও ভাঙচুর ও ওই জমিতে হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্টুডিওর জমির মালিক নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ার, ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন এবং মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্না।

পুলিশ জানায়, নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সেখানে স্টুডিও তৈরি করেছিলেন সালমান মুক্তাদির। শনিবার দিবাগত রাতে দুই ট্রাকে করে লোকজন এসে স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ২টার দিকে ব্রাউনফিশ স্টুডিওর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘একটু আগে এখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’

পরে তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সম্ভবত ভবনের মালিক ছিলেন। তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা প্রকাশ করেন সালমান।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ ওই জমিতে একটি গেট তৈরি করে অন্যদের যাতায়াত আটকে দিয়েছিল। চলাচলে সমস্যার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এদিকে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সম্ভবত ৩৫ কাঠার একটা ডিসপিউটেড ল্যান্ড। যেখানে দুই পক্ষের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ আছে। এক পক্ষ নিউ গিনি প্রপার্টিজের। আরেক পক্ষ হলো একজন রিটায়ার্ড সিনিয়র সামরিক অফিসার। তাদের মধ্যেই বিরোধটা চলছিল। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে, রিটায়ার্ড কর্মকর্তার পক্ষে বেশ কিছু লোক রাতের অন্ধকারে এটা দখল করতে গিয়েছে।’

এ ঘটনায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Share this news as a Photo Card