নিউইয়র্ক ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোলের পর ইয়ামালের ‘৩০৪’ উদযাপনের কারণ জানালেন শৈশবের বন্ধু

  • আপডেটের সময় : ১০:২১:০৫ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

গোলের পর দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ প্রদর্শন করে উদযাপন করেন লামিনে ইয়ামাল। কিন্তু ব্যতিক্রমী এই উদযাপনের রহস্য কী? বার্সেলোনার তরুণ তারকার শৈশবের বন্ধু সোহাইব জানিয়েছেন সেই গল্প। তার কথায়, ইয়ামালের বেড়ে ওঠার এলাকা রোকাফোন্ডার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে এই উদযাপন।

২০২৬ বিশ্বকাপ নিজের প্রত্যাশামতো কাটাতে না পারলেও চলতি মৌসুমে চেনা ছন্দে ফিরেছেন ইয়ামাল। লা লিগায় শেষ দুই ম্যাচে পেয়েছেন জোড়া গোল। মাঠে তার পারফরম্যান্স যেমন নজর কাড়ছে, তেমনি মাঠের বাইরেও কাছের মানুষদের সঙ্গেই সময় কাটাতে পছন্দ করেন বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা।

ইয়ামালের ঘনিষ্ঠজনের মধ্যে রয়েছেন বাবা মুনির নাসরাউই, মা শেইলা এবানা, প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া ও কাজিন মোহাম্মদ আবদ। তাদের সঙ্গে শৈশবের সেরা বন্ধু সোহাইবের সম্পর্কও বিশেষ। স্প্যানিশ টিভি অনুষ্ঠান ‘তার্দে এআরকে’-তে দওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামালের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও শৈশবের নানা স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

উপস্থাপক আনা রোসা কুইন্তানার মুখোমুখি হয়ে সোহাইব বলেন, সুযোগ পেলেই তারা একসঙ্গে সময় কাটান। ইয়ামালকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করেন তিনি।

রোকাফোন্ডার একটি পার্কে ছয় বছর বয়সে তাদের বন্ধুত্বের শুরু। সেই সময়ের কথা মনে করে সোহাইব বলেন, ছোটবেলা থেকেই ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা ছিল স্পষ্ট। তাকে প্রায়ই বলতেন, চাইলে একদিন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হওয়া সম্ভব। তবে সেই বিশ্বাসটা নিজের ভেতর থেকেই আসতে হবে।

খ্যাতি ও সাফল্যের শিখরে উঠেও ইয়ামালের স্বভাব বদলায়নি বলেও জানান সোহাইব। তবে সবচেয়ে আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে ইয়ামালের গোল উদযাপনের সেই ‘৩০৪’। গোল ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ চিহ্ন বানানোর এই উদযাপনটি তার শৈশবের এলাকা রোকাফোন্ডার পোস্টাল কোডের শেষ তিন সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।

সেই উদযাপনের জন্ম কীভাবে, সেটিও জানিয়েছেন সোহাইব। তিনি বলেন, যুব দলের কোপা দেল রের একটি ম্যাচের আগে রোকাফোন্ডায় থাকা অবস্থায় ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কিছু প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তখনই তাকে ‘৩০৪’ সংকেতটি করার পরামর্শ দেন সোহাইব।এলাকায় সংখ্যাটি তারা নিয়মিত ব্যবহার করতেন। ইয়ামালের ভঙ্গিটি পছন্দ হয়ে যায়। এরপর থেকেই গোল পেলেই ‘৩০৪’ উদযাপনকে নিজের স্বাক্ষরে পরিণত করেছেন বার্সেলোনার ১০ নম্বর তারকা।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘চিরন্তন যুদ্ধে রূপ নেওয়ার ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত’

জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ করলো ইরান

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

গোলের পর ইয়ামালের ‘৩০৪’ উদযাপনের কারণ জানালেন শৈশবের বন্ধু

আপডেটের সময় : ১০:২১:০৫ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোলের পর দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ প্রদর্শন করে উদযাপন করেন লামিনে ইয়ামাল। কিন্তু ব্যতিক্রমী এই উদযাপনের রহস্য কী? বার্সেলোনার তরুণ তারকার শৈশবের বন্ধু সোহাইব জানিয়েছেন সেই গল্প। তার কথায়, ইয়ামালের বেড়ে ওঠার এলাকা রোকাফোন্ডার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে এই উদযাপন।

২০২৬ বিশ্বকাপ নিজের প্রত্যাশামতো কাটাতে না পারলেও চলতি মৌসুমে চেনা ছন্দে ফিরেছেন ইয়ামাল। লা লিগায় শেষ দুই ম্যাচে পেয়েছেন জোড়া গোল। মাঠে তার পারফরম্যান্স যেমন নজর কাড়ছে, তেমনি মাঠের বাইরেও কাছের মানুষদের সঙ্গেই সময় কাটাতে পছন্দ করেন বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা।

ইয়ামালের ঘনিষ্ঠজনের মধ্যে রয়েছেন বাবা মুনির নাসরাউই, মা শেইলা এবানা, প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া ও কাজিন মোহাম্মদ আবদ। তাদের সঙ্গে শৈশবের সেরা বন্ধু সোহাইবের সম্পর্কও বিশেষ। স্প্যানিশ টিভি অনুষ্ঠান ‘তার্দে এআরকে’-তে দওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামালের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও শৈশবের নানা স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

উপস্থাপক আনা রোসা কুইন্তানার মুখোমুখি হয়ে সোহাইব বলেন, সুযোগ পেলেই তারা একসঙ্গে সময় কাটান। ইয়ামালকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করেন তিনি।

রোকাফোন্ডার একটি পার্কে ছয় বছর বয়সে তাদের বন্ধুত্বের শুরু। সেই সময়ের কথা মনে করে সোহাইব বলেন, ছোটবেলা থেকেই ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা ছিল স্পষ্ট। তাকে প্রায়ই বলতেন, চাইলে একদিন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হওয়া সম্ভব। তবে সেই বিশ্বাসটা নিজের ভেতর থেকেই আসতে হবে।

খ্যাতি ও সাফল্যের শিখরে উঠেও ইয়ামালের স্বভাব বদলায়নি বলেও জানান সোহাইব। তবে সবচেয়ে আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে ইয়ামালের গোল উদযাপনের সেই ‘৩০৪’। গোল ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ চিহ্ন বানানোর এই উদযাপনটি তার শৈশবের এলাকা রোকাফোন্ডার পোস্টাল কোডের শেষ তিন সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।

সেই উদযাপনের জন্ম কীভাবে, সেটিও জানিয়েছেন সোহাইব। তিনি বলেন, যুব দলের কোপা দেল রের একটি ম্যাচের আগে রোকাফোন্ডায় থাকা অবস্থায় ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কিছু প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তখনই তাকে ‘৩০৪’ সংকেতটি করার পরামর্শ দেন সোহাইব।এলাকায় সংখ্যাটি তারা নিয়মিত ব্যবহার করতেন। ইয়ামালের ভঙ্গিটি পছন্দ হয়ে যায়। এরপর থেকেই গোল পেলেই ‘৩০৪’ উদযাপনকে নিজের স্বাক্ষরে পরিণত করেছেন বার্সেলোনার ১০ নম্বর তারকা।

Share this news as a Photo Card